ক্রীড়া ডেস্কঃ
বাংলাদেশের সেরা অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা; এ নিয়ে সম্ভবত কোন বিতর্ক নেই। তার অধীনে বিশ্বকাপের শেষ আটে জায়গা করে নেয় দল। আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির নকআউট পর্বে খেলেছে বাংলাদেশ। দলকে এশিয়া কাপের ফাইনালে গেছে তার নেতৃত্বে। ভারত, পাকিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ তার অধীনে। তবে আরও এক জায়গায় হাবিবুল বাশারকে ছাড়ানোর অপেক্ষা আছে মাশরাফির।

মঙ্গলবার মাশরাফি যখন রোভম্যান পাওয়েলের সঙ্গে টস করতে নামলেন, অধিনায়কত্বের ম্যাচসংখ্যায় হয়ে গেলেন হাবিবুল বাশারের সমান। ২০০৪ থেকে ২০০৭-এর মধ্যে বাংলাদেশ দলকে ৬৯টি ওয়ানডেতে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বিসিবি নির্বাচক বাশার। ২০১৪ থেকে নিয়মিতভাবে দায়িত্ব চালিয়ে যাওয়া মাশরাফির ৬৯ হলো গতকালের ম্যাচে। যৌথভাবে বাশার-মাশরাফিই এখন পঞ্চাশ ওভারি ফরম্যাটে বাংলাদেশকে সবচেয়ে বেশি ম্যাচে নেতৃত্ব দেওয়া অধিনায়ক।
২০০১ সাল থেকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা মাশরাফির ম্যাচসংখ্যা এ পর্যায়ে চলে আসতে পারত আরও আগেই। অধিনায়কত্ব পেয়েছিলেন ২০০৯ সালে। কিন্তু নেতৃত্বের প্রথম টেস্টেই চোটে পড়ে ছিটকে গেলেন দল থেকে। পরের বছর ফের দায়িত্ব ফিরে পাওয়ার পর ইংল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডস সফর মিলিয়ে অধিনায়কত্ব করেন ৬ ওয়ানডেতে। তারপর অনেক ঘটনা-দুর্ঘটনা পেরিয়ে তৃতীয়বার দায়িত্বে আসেন ২০১৪ সালের শেষদিকে।
সেই থেকে গতকাল পর্যন্ত ৬৫টি ওয়ানডে খেলেছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে ৬২টিতেই টস করেছেন মাশরাফি। যে তিনটিতে করতে পারেননি, তার কারণ বিশ্রাম এবং ধীর-বোলিংজনিত কারণে না খেলা। অধিনায়কত্বের ম্যাচসংখ্যায় এখন হলেও জয়ের সাফল্যে অনেক আগেই সুমনকে ছুঁয়েছেন মাশরাফি, এমনকি তাকে ছাড়িয়ে এগিয়েও গেছেন অনেক দূর। গতকালের ম্যাচটির আগেই অধিনায়ক হিসেবে মাশরাফির জয়ের সংখ্যা ৩৯, আর সুমনের ২৯।





