ক্ষুদ্র আয়ের সুযোগ সৃষ্টি ও পুষ্টি চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে রামুতে পিছিয়ে পড়া নারীদের সবজি চারা ও কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পালস বাংলাদেশ সোসাইটির প্রধান নির্বাহী সাইফুল ইসলাম চৌধুরী কলিম সবজি চারা, বীজ, সার, নেট সহ প্রয়োজনীয় কৃষি সামগ্রী বিতরণ করেন।
রামু উপজেলার চাকমারকুল, রাজারকুল ও ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের ৪০জন উপকারভোগীকে এ সব কৃষি সামগ্রী ও চারা বিতরণ করা হয়। বিতরণকৃত চারাগুলোর মধ্যে মরিচ, পেঁপে, লেবু, টমেটো, বেগুনসহ প্রায় ৭০ জাতের সবজির চারা রয়েছে। এ প্রজেক্টের আওতায় ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে মে ২০২৭ পর্যন্ত ৫ হাজার ৭৯০ জন উপকারভোগীকে এ সেবা প্রদান করা হবে। ২৮জন সিএম বা কমিউনিটি মোবিলাইজারসহ মোট ৪০জন পালস বাংলাদেশ সোসাইটির কর্মী এ প্রজেক্টে কাজ করবেন।
পালস বাংলাদেশ সোসাইটির রামু উপজেলা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সবজি চারা ও কৃষি উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন, উপজেলা উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামুনুল হক, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক খালেদ শহীদ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, পালস বাংলাদেশ সোসাইটির প্রজেক্ট ম্যানেজার সামি অর রশিদ।

পালস বাংলাদেশ সোসাইটির প্রধান নির্বাহী সাইফুল ইসলাম চৌধুরী কলিম বলেন, গ্রামের পতিত জমি যেন অনাবাদী না থাকে এবং গ্রামের নারীরা পিছিয়ে না পড়ে, সেই লক্ষ্যে কাজ করছে পালস বাংলাদেশ সোসাইটি। প্রাথমিক ভাবে কক্সবাজারের রামু উপজেলার চাকমারকুল, রাজারকুল ও ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের ৪০জন উপকারভোগীকে সবজি চারা ও কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। পর্যায় ক্রমে উপজেলার এগার ইউনিয়নের ১৯ থেকে ৩৫ বছর বয়সের ১ হাজার ৭০০ জন মহিলার মাঝে সবজি চারা ও কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হবে। ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সী ১ হাজার ৮৪০ জন কিশোরীকে মানসিক স্বাস্থ্য, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও লিঙ্গ ভিত্তিক সহিংসতা সম্পর্কে সেবা প্রধান করা হবে। এ ছাড়া পালস বাংলাদেশ সোসাইটি সাধারণ মানুষের মধ্যে গাছ রোপণের সচেতনতা বৃদ্ধিতে ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় চারা বিতরণ করা সহ পারিবারিক পুষ্টি নিশ্চিত করা, পতিত জমি আবাদযোগ্য করা এবং ক্ষুদ্র কৃষকদের স্বাবলম্বী করে তোলতে কাজ করছে।







