২রা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৮ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, বৃহস্পতিবার
আমাদের রামু
  •  
  • কক্সবাজার জেলা
    • কক্সবাজার সদর
    • উখিয়া
    • কুতুবদিয়া
    • চকরিয়া
    • টেকনাফ
    • পেকুয়া
    • মহেশখালী
  • পার্বত্য চট্রগ্রাম
    • বান্দরবান
    • রাঙ্গামাটি
    • খাগড়াছড়ি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
    • রাজশাহী
    • সিলেট
  • মতামত
    • সম্পাদকীয়
    • গোলটেবিল বৈঠক
    • ধর্মকথা
    • সাক্ষাৎকার
    • তারুণ্যের লেখালেখি
    • ছড়া ও কবিতা
    • কলাম
    • সাধারণের কথা
    • অনলাইন ভোট
  • বিশেষ প্রতিবেদন
    • কীর্তিমান
    • প্রতিভা
    • ঐতিহ্য
    • অবহেলিত
    • পুরাকীর্তি ও প্রত্নতত্ত্ব
    • শেখড়ের সন্ধান
    • প্রতিষ্ঠান
  • রাজনীতি
    • আওয়ামীলীগ
    • বিএনপি
    • জাতীয়পার্টি
    • রাজনৈতিক দল সমূহ
    • ছাত্র রাজনীতি
  • নির্বাচন
    • স্থানীয় সরকার
    • সংসদ
    • ইসি
  • শিল্প-সাহিত্য
    • কবিতা
    • গল্প
    • উপন্যাস
    • আর্ট
    • চিঠি
    • ছড়া
    • প্রবন্ধ/নিবন্ধ
    • সংবাদ
  • বিবিধ
    • প্রধান খবর
    • রামু প্রতিদিন
    • পর্যটন
      • বৌদ্ধ ‍বিহার
      • স্থাপনা
      • প্রাকৃতিক
    • চাকরির খবর
    • শিল্প-সাহিত্য
    • সংস্কৃতি
    • বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি
    • উন্নয়ন
    • সাংস্কৃতিক
    • মানচিত্রে রামু
    • শিক্ষাঙ্গন
    • শিক্ষা
    • রামু তথ্য বাতায়ন
    • সমস্যা ও সম্ভাবনা
    • আমাদের রামু পরিবার
    • অপরাধ
    • আইন-আদালত
    • মন্ত্রী কথন
    • স্বাস্থ্য
ফলাফল নেই
সকল ফলাফল দেখুন
  •  
  • কক্সবাজার জেলা
    • কক্সবাজার সদর
    • উখিয়া
    • কুতুবদিয়া
    • চকরিয়া
    • টেকনাফ
    • পেকুয়া
    • মহেশখালী
  • পার্বত্য চট্রগ্রাম
    • বান্দরবান
    • রাঙ্গামাটি
    • খাগড়াছড়ি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
    • রাজশাহী
    • সিলেট
  • মতামত
    • সম্পাদকীয়
    • গোলটেবিল বৈঠক
    • ধর্মকথা
    • সাক্ষাৎকার
    • তারুণ্যের লেখালেখি
    • ছড়া ও কবিতা
    • কলাম
    • সাধারণের কথা
    • অনলাইন ভোট
  • বিশেষ প্রতিবেদন
    • কীর্তিমান
    • প্রতিভা
    • ঐতিহ্য
    • অবহেলিত
    • পুরাকীর্তি ও প্রত্নতত্ত্ব
    • শেখড়ের সন্ধান
    • প্রতিষ্ঠান
  • রাজনীতি
    • আওয়ামীলীগ
    • বিএনপি
    • জাতীয়পার্টি
    • রাজনৈতিক দল সমূহ
    • ছাত্র রাজনীতি
  • নির্বাচন
    • স্থানীয় সরকার
    • সংসদ
    • ইসি
  • শিল্প-সাহিত্য
    • কবিতা
    • গল্প
    • উপন্যাস
    • আর্ট
    • চিঠি
    • ছড়া
    • প্রবন্ধ/নিবন্ধ
    • সংবাদ
  • বিবিধ
    • প্রধান খবর
    • রামু প্রতিদিন
    • পর্যটন
      • বৌদ্ধ ‍বিহার
      • স্থাপনা
      • প্রাকৃতিক
    • চাকরির খবর
    • শিল্প-সাহিত্য
    • সংস্কৃতি
    • বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি
    • উন্নয়ন
    • সাংস্কৃতিক
    • মানচিত্রে রামু
    • শিক্ষাঙ্গন
    • শিক্ষা
    • রামু তথ্য বাতায়ন
    • সমস্যা ও সম্ভাবনা
    • আমাদের রামু পরিবার
    • অপরাধ
    • আইন-আদালত
    • মন্ত্রী কথন
    • স্বাস্থ্য
ফলাফল নেই
সকল ফলাফল দেখুন
আমাদের রামু
ফলাফল নেই
সকল ফলাফল দেখুন

শব্দ, বর্ণ ও কিছু কথা

নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
ডিসেম্বর ১৮, ২০১৬
বিভাগ কলাম, প্রবন্ধ/নিবন্ধ, মতামত
0
মোঃ দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়ার কবিতা
Share on FacebookShare on Twitter

মোঃ দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া:
অাপনারা যারা পড়ছেন এবং লিখছেন,যে লেখনির দ্বারা পত্র,পত্রিকা,বই,পুস্তক প্রকাশিত হচ্ছে ৷ যাদের অগাধ জ্ঞান,চিন্তা ও অক্লান্ত পরিশ্রমের বিনিময়ে লেখার এই চিহ্ন/বর্ণ অামরা পেয়েছি তাদের কাছে পৃথিবী ধ্বংসের পূর্ব পর্যন্ত অামাদেরকে কৃতজ্ঞ ও ঋণী থাকতে হবে ৷

সৃষ্টির সকল প্রাণী শব্দ করতে পারে ৷ শব্দ করার যোগ্যতা সকল প্রাণীর মাঝেই বিদ্যমান ৷ মনের ভাব প্রকাশে অাজ বর্ণের সাহায্যে লেখার কাজ চলছে৷

লেখনির মাধ্যমে পুথি,বই,পত্র,পত্রিকার অাবির্ভাব হয়েছে৷ এ সকল কিছুর মূলে হল শব্দকে চিহ্ন/বর্ণের মাধ্যমে প্রকাশের উদ্যোগ৷
যারা এ উদ্যোগে চেষ্টা করে সফল হয়েছেন, ওনাদেরকে ব্যাক্তিগত ভাবে অামি গভীর ভাবে শ্রদ্ধা করি৷

ওনাদের কঠোর অধ্যাবসায়ের ফল স্বরূপ অাজ অামরা স্বরবর্ণ,ব্যান্জ্ঞন বর্ণ ও স্বরচিহ্ন পেয়েছি৷ সেই বর্ণের সাহায্যে অামাদের বাংলা ভাষা লেখনির মাধ্যমে প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে৷
ওনারা এমন ধারার ‘বর্ণের’ সৃষ্টি না করলে অাজ অামাদের স্বরবর্ণ,ব্যান্জ্ঞন বর্ণ ও স্বরচিহ্ন হতো অন্য রকম৷

সৃষ্টির সেরাজীব মানুষদের মানব সভ্যতার সূচনালগ্নে বিশ্বের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যাওয়ার চিন্তা করা ছিল কল্পনাতীত দুঃসাধ্য ব্যাপার৷ফলে এক প্রান্তের লোকদের সাথে অন্যপ্রান্তের লোকের ভাব বিনিময় ছিল অসম্ভব৷সে সময় পৃথিবীর মানব জাতি বিভিন্ন সম্প্রদায়ে বিভক্ত হয়ে বসবাস করত৷

‘’সৃষ্টিকর্তা মানুষের মস্তিষ্ককে করেছেন অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীর তিন গুন বড়’’ সেই মস্তিষ্কের জ্ঞানের অালোকে প্রত্যেক সম্প্রদায় নিজ নিজ ভাষাকে লিখনির মাধ্যমে প্রকাশ করার প্রয়োজন অনুভব করেছিল এবং বাংলা,হিন্দি,অারবী,ইংরেজী সহ নানাবিধ বর্ণ তৈরী করা প্রত্যেক সম্প্রদায়ের পক্ষে সম্ভব হয়েছিল৷ সকল সম্প্রদায় নিজ নিজ প্রয়োজনে প্রত্যেকে নিজেদের মতো করে অালাদা অালাদা চিহ্নের মাধ্যমে বর্ণ তৈরী করেছেন৷

প্রশ্ন হলো বানর যদি মানুষের পূর্ব পূরুষ হয়ে থাকে তাহলে পুরো পৃথিবীর কোন একটি বানর সম্প্রদায় সামান্য কিছু বর্ণ তৈরীর মাধ্যমে ভাবের অাদান প্রদান করতে পারলোনা কেন ?

অামাদের বাংলা ‘বর্ণ’ কেমন করে অাসলো জেনে নেইঃ
প্রাচীন কাল থেকে পাঁচটি স্তর পার হয়ে অাধুনিক বর্ণমালা এসেছে৷ আমরা যেসব সুন্দর সুন্দর অক্ষর বা বর্ণ দিয়ে লেখালেখি করি সেই অক্ষর বা বর্ণ এলো কোথা থেকে? কে তৈরি করেছিলেন এইসব বর্ণ? কতো বছর আগে তিনি এইসব তৈরি করেছিলেন? আমরা এইসব প্রশ্নের সরাসরি কোন উত্তর পাবো না।

কেউ লিখে রাখেনি আমাদের প্রাণের বাঙলা বর্ণমালা কে তৈরি করেছিলেন। যদি জানা যেত তাহলে আমরা নিশ্চয়ই তাকে বাংলা ভাষার দেবতার আসনে বসাতাম। সরাসরি উত্তর না পাওয়া গেলেও ধারণা করা যায় আমাদের বর্ণমালা’র আবিষ্কারকাল, উৎস।

আমরা এখন যেরকম দেখি আমাদের বর্ণমালা, ঠিক সেইরকম ছিলো না প্রথম দিকের বর্ণমালা। হাজার বছরের পথ পাড়ি দিয়ে এতো সুন্দর ঝকঝকে হয়েছে বাংলা বর্ণমালা।

তখন কোন বর্ণমালা ছিলো না, গাছপালা-মানুষ-প্রাণী’র ছবি এঁকে মনের ভাব প্রকাশ করা হতো।

এটা হচ্ছে বর্ণমালার প্রথম স্তর – “গ্রন্থিলিপি”। আনুমানিক দশ-বারো হাজার বছর আগে মানুষ গ্রন্থিলিপি দ্বারা মনের ভাব প্রকাশ করতো।

এরপর এলো “ভাবলিপি” – সম্পুর্ণ ছবি না এঁকে সংকেত বা চিহ্ন বা প্রতীকের মাধ্যমে মনের ভাব প্রকাশ করার মাধ্যম। ভাবলিপি ছিলো অনেকটা এমনঃ দিন বোঝাতে পূর্ন বৃত্ত, অর্থাৎ সূর্য আঁকা হতো, আর রাত বোঝাতে অর্ধ বৃত্তের সাথে তাঁরা আঁকা হতো।

এরপর এলো তৃতীয় স্তর – “শব্দলিপি”, এই স্তরে ব্যাপক হারে ছবি’র বদলে চিহ্নের ব্যবহার হতে লাগলো।

শব্দলিপি আরো সংক্ষিপ্ত হয়ে এলো চতুর্থস্তর – “অক্ষরলিপি”। অক্ষরলিপি আরো সংক্ষিপ্ত হয়ে পঞ্চম স্তর হিসেবে এলো “ধ্বনিলিপি”।

এই ধ্বনিলিপি থেকেই আধুনিক বর্ণমালার উৎপত্তি। সেইসময় বিভিন্ন বর্ণে বা রঙে বিভিন্ন অক্ষর লিখা হতো, সেখান থেকেই অক্ষরের নাম হয়েছে বর্ণ, বর্ণমালা।

ব্রাহ্মীলিপি’র নমুনা, গিনার পর্বতে প্রাপ্ত।
আমাদের বাঙলা বর্ণমালা এসেছে প্রাচীন ভারতীয় “ব্রাহ্মীলিপি” থেকে। পৌরাণিক উপকথামতে হিন্দু দেবতা ব্রহ্মা ভারতবর্ষের প্রাচীন লিপি আবিষ্কার করেছিলেন এবং ধ্বনির সাথে মানুষকে এই লিপি দান করেছিলেন, তার নামানুসারে ঐ লিপির নাম হয় ব্রাহ্মীলিপি। কেউ কেউ বলেন, বৈদিক যুগে ব্রাহ্মণরা ছিলেন শ্রেষ্ঠ পুরোহিত। ব্রাহ্মণদের দ্বারা এই লিপি আবিষ্কৃত হয়েছিল বলেই এর নাম ব্রাহ্মীলিপি। যে যাই বলুক, ভারতবাসী নিজেরাই সৃষ্টি করেছিলেন ব্রাহ্মীলিপি। ব্রাহ্মীলিপির পেছনে ফিনিশীয় লিপির প্রভাব আছে বলে দাবী করা হয়।

তবে প্রাচীন ভারতীয়রা সম্ভবত স্বাধীনভাবেই নিজেদের লিপি উদ্ভাবন করেছিল – কারণ ফিনিশীয় লিপির চেয়ে ব্রাহ্মীলিপির পার্থক্য অনেক। খ্রিস্টপূর্ব ৫ম শতক থেকে ৩৫০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ভারতে ব্রাহ্মীলিপি প্রচলিত ছিল। এরপর “অশোক লিপি” বা “মৌর্য লিপি” তে এর বিবর্তন শুরু হয়। এর পরের ধাপে আসে “কুষাণ লিপি”, এগুলি কুষাণ রাজাদের আমলে প্রচলিত ছিল। এরপর ব্রাহ্মীলিপিটি উত্তরী ও দক্ষিণী – এই দুইভাগে ভাগ হয়ে যায়।

উত্তরী লিপিগুলির মধ্যে পূর্বদেশীয় গুপ্তলিপি প্রধান, এটি ৪র্থ ও ৫ম শতাব্দীতে প্রচলিত ছিল। গুপ্তলিপি থেকে আবির্ভাব হয় “কুটিল লিপির”, এটি ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শতক পর্যন্ত প্রচলিত ছিল। কুটিল লিপি থেকে উদ্ভব হয় নাগরী লিপির। প্রাচীন নাগরী লিপির পূর্ব শাখা থেকে ১০ম শতকের শেষভাগে এসে উৎপত্তি হয়েছে বাঙলা লিপির। অর্থাৎ ব্রাহ্মীলিপি > অশোক লিপি বা মৌর্য লিপি > কুশাণ লিপি > উত্তরী গুপ্তলিপি (পূর্বদেশীয়) > কুটিল লিপি > নাগরী লিপি > বাঙলা লিপি।
ব্রাহ্মীলিপি থেকে সৃষ্ট বাঙলা বর্ণমালা দেখতে কিন্তু এখনকার বর্ণমালার মতোন ছিলো না, সময়ের পরিবর্তনে বর্ণ’র চেহারারও পরিবর্তন হয়েছে। আগে তো ছাপাখানা ছিলো না, শুদ্ধতা বজায় থাকবে কী করে? তখন মানুষ হাতে কাব্য লিখতো, পুঁথি লিখতো। একেকজনের হাতের লেখা একেকরকম, দশজন দশরকম করে “ক” “খ” লিখেছে।

এভাবেই পরিবর্তিত হতে হতে পাল্টে গেছে বাঙলা বর্ণমালা। কম্বোজের রাজা নয়পালদেবের ইর্দার দানপত্রে এবং প্রথম মহীপালের বাণগড়ের দানপত্রে সর্বপ্রথম আদি বাংলা বর্ণমালা দেখতে পাওয়া যায়। ব্রাহ্মীলিপি’র প্রথম পাঠোদ্ধার করেন প্রাচ্যবিদ্যা-বিশারদ প্রিন্সসেপ। আমাদের দেশের সিলেট’র উপভাষারও কিন্তু বর্ণমালা ছিলো, আধুনিক বাঙলা বর্ণমালা থেকে একটু আলাদা, প্রায় অবিকৃত নাগরীলিপি’র মতোন।

এখন পর্যন্ত তিন ধরণের ব্রাহ্মীলিপির নমুনা আবিষ্কৃত হয়েছে, যাতে ৪৪টি বর্ণ পাওয়া যায়। এরমধ্যে স্বরবর্ণ ৯টি, ব্যাঞ্জনবর্ণ ৩৫টি। বাঙলা বর্ণমালার “ঔ” ও “ঋ” ব্রাহ্মীলিপির স্বরবর্ণে না পাওয়া গেলেও ব্যাঞ্জনবর্ণে এ দুটি বর্ণের নমুনা পাওয়া গেছে। আমরা এখন যে কয়টি স্বরবর্ণ-ব্যঞ্জনবর্ণ দেখি, আগে এরচে কয়েকটি বেশি ছিলো। এই তো কিছুদিন আগেও স্বরবর্ণতে ৯ ছিলো, এখন আর ৯’র অস্তিত্ব নেই। এর সাথে ছিলো ৠ। ব্যঞ্জনবর্ণতে ছিলো ল (মূর্ধন্য ল), ছিলো হ্ল (মহাপ্রাণ ল), ছিলো ব (অন্তঃস্থ ব)।

ন্যাথলিয়েন ব্র্যাসি হ্যালহেড এর “এ গ্রামার অফ দ্যা বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ”
যুগে যুগে বাংলা বর্ণমালার আকার-আকৃতি বদলাতে বদলাতে ১৭৭৮ খ্রিস্টাব্দে মোটামুটি স্থির রুপ পায়, মুদ্রণযন্ত্রের ঢালাই ধাতুতে তৈরি বর্ণের কল্যাণে। তবে সেগুলো কিন্তু বাঙলা ভাষা-ভাষীরা করেননি, সেগুলো করেছিলো ইউরোপীয়রা। এর আগে, ১৬৬৭ খ্রিস্টাব্দে আমস্টারডাম থেকে প্রকাশিত “চায়না ইলাস্ট্রেটা” নামক বইয়ে বাঙলা বর্ণমালা’র নমুনা ছাপা হয়েছিলো। ১৬৬৭ সালের পর আরো একটি বইয়ে বাংলা বর্ণমালা’র নমুনা ছাপা হয়, ১৭৪৩ সালে লাইডেন থেকে প্রকাশিত “ডিসারতিও সিলেকটা” নামের বইয়ে। এই নমুনা বর্ণগুলো ব্লকের তৈরী হরফে ছাপা হয়েছিলো। ১৭৭৮ সালে ন্যাথলিয়েন ব্র্যাসি হ্যালহেড হুগলী থেকে বাঙলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ প্রকাশ করেন – “এ গ্রামার অফ দ্যা বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ”। বইটি রোমান হরফে লিখলেও উদাহারণগুলো ছেপেছিলেন বাংলা বর্ণমালায়।

আগে ছাপা হয়েছিলো ব্লকে, এবার ছাপা হয় ধাতব কী-তে। প্রতিটা বর্ণের জন্য আলাদা আলাদা ধাতব কী। হ্যালহেডকে এই কাজে সহায়তা করেন পঞ্চানন কর্মকার। বর্ণগুলো দেখতে ছিলো আকারে বড়ো, এখনকার বর্ণের চেয়ে একটু আলাদা, তবে অত্যন্ত সুশ্রী ও সাজানো-গোছানো। পঞ্চানন কর্মকার ও হ্যালহেড স্থির করে দিয়ে গেলেন বাঙলা বর্ণমালার রূপ। এরপর মুদ্রণযন্ত্রের প্রয়োজনে ও উৎসাহে আরো সুশ্রী হয়েছে বাঙলা বর্ণমালা। তৈরি হয়েছে মনো ও লাইনো রুপসী অক্ষর। তৈরি হয়েছে কয়েকটি নতুন অক্ষর, যুক্তাক্ষর পাল্টেছে মনো ও লাইনো টাইপের কল্যাণে।
সূত্রঃ

উইকিপিডিয়া, কতো নদী সরোবর বা বাংলা ভাষার জীবনী – হুমায়ুন আজাদ।

‘’পৃথিবীর সকল প্রাণী শব্দ করতে পারলেও সৃষ্টিকর্তা মানুষকে অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীর তিনগুন মস্তিষ্ক দান করায় মানুষ জ্ঞানের মাধ্যমে শব্দ ব্যাবহার করে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে পৃথক পৃথক জাতিতে অালাদা অালাদা চিহ্ন/বর্ণের সৃজন করতে পেরেছে বলেই শব্দ থেকে বর্ণ,বর্ণ থেকে পুথি,পুথির মাধ্যমে অারো অধিক জ্ঞানার্জন,সেই অাহরিত জ্ঞানার্জনের মাধ্যমে পৃথিবীর অভ্যন্তরে পাওয়া উপাদানের সাহায্যে পৃথিবীতে ও এর বাহিরে মানুষের বানানো অামাদের দৃশ্যমান সকল কিছুই তৈরী করা সম্ভব হয়েছে এবং সৃষ্টির সেরাজীবের মর্যাদায় সকল কিছুর উপর প্রভূত্ব অর্জন করা সহজ হয়েছে ৷’’

পৃথিবীতে সব ধর্ম গ্রন্থে মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব ও শান্তির কথা বলা অাছে৷

চার্লস ডারউইনের বিবর্তন বাদ নিয়ে বর্তমান বিজ্ঞানীদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি হয়েছে৷

অাসুন সৃষ্টির সর্বশ্রেষ্ঠ জীবের মর্যাদায় মর্যাদাবান হয়ে পশুর মত অাচরণ থেকে নিজেদেরকে মুক্ত রেখে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পৃথিবীটাকে শান্তিপূর্ণ বাসস্থানে পরিণত করি৷৷

শেয়ার করুন

  • Tweet
পূর্ববর্তী সংবাদ

রামুতে সাংবাদিক কন্যা তুবা’র ৪র্থ জম্মদিন পালন

পরবর্তী সংবাদ

বঙ্গভবনে বিএনপির প্রতিনিধি দল

পরবর্তী সংবাদ
বঙ্গভবনে বিএনপির প্রতিনিধি দল

বঙ্গভবনে বিএনপির প্রতিনিধি দল

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বশেষ সংবাদ

সংসদ অধিবেশন ৭ জুলাই পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা

সংসদ অধিবেশন ৭ জুলাই পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা

জুলাই ১, ২০২৬
এমবাপ্পের জোড়া গোলে সুইডেনকে উড়িয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্স

এমবাপ্পের জোড়া গোলে সুইডেনকে উড়িয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্স

জুলাই ১, ২০২৬
খালি পেটে দুধ পান করলে কী হয়?

খালি পেটে দুধ পান করলে কী হয়?

জুলাই ১, ২০২৬
সোমবার দেশব্যাপী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

সোমবার দেশব্যাপী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

জুন ২৯, ২০২৬
প্রতিবন্ধী ও অসুস্থ আলম শাইরের পাশে বৌদ্ধ সুরক্ষা পরিষদ

প্রতিবন্ধী ও অসুস্থ আলম শাইরের পাশে বৌদ্ধ সুরক্ষা পরিষদ

জুন ২৯, ২০২৬

জনপ্রিয় সংবাদ

কোনো সংবাদ পাওয়া যায়নি

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

Loading...
«জুলাই ২০২৬»
রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
« জুনআগষ্ট »

© ২০২২ আমাদের রামু ডট কম কতৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

[email protected]

আমরা রাষ্ট্র তথা এলাকার উন্নয়ন, সমস্যা এবং সম্ভাবনার কথা তুলে ধরি। আমরা কেউ কারো প্রতিপক্ষ নই কিন্তু বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে আমরা আপসহীন থাকার চেষ্ঠা করি। আমরা মনে-প্রাণে বিশ্বাস করি যে, সংবাদপত্র রাষ্ট্রের অপর তিন স্তম্ভ- সংসদ, প্রশাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগের পর চতুর্থ স্তম্ভ। একটি কার্যকর রাষ্ট্র গঠন ও পরিচালনায় দায়িত্বশীল সংবাদপত্রের গুরুত্ব অপরিসীম।
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • প্রাইভেসি পলিসি
  • ইউনিকোড কনর্ভারটার

প্রযুক্তি সহায়তায় ❤ ডেবস্ওয়্যার

ফলাফল নেই
সকল ফলাফল দেখুন
  •  
  • কক্সবাজার জেলা
    • কক্সবাজার সদর
    • উখিয়া
    • কুতুবদিয়া
    • চকরিয়া
    • টেকনাফ
    • পেকুয়া
    • মহেশখালী
  • পার্বত্য চট্রগ্রাম
    • বান্দরবান
    • রাঙ্গামাটি
    • খাগড়াছড়ি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
    • রাজশাহী
    • সিলেট
  • মতামত
    • সম্পাদকীয়
    • গোলটেবিল বৈঠক
    • ধর্মকথা
    • সাক্ষাৎকার
    • তারুণ্যের লেখালেখি
    • ছড়া ও কবিতা
    • কলাম
    • সাধারণের কথা
    • অনলাইন ভোট
  • বিশেষ প্রতিবেদন
    • কীর্তিমান
    • প্রতিভা
    • ঐতিহ্য
    • অবহেলিত
    • পুরাকীর্তি ও প্রত্নতত্ত্ব
    • শেখড়ের সন্ধান
    • প্রতিষ্ঠান
  • রাজনীতি
    • আওয়ামীলীগ
    • বিএনপি
    • জাতীয়পার্টি
    • রাজনৈতিক দল সমূহ
    • ছাত্র রাজনীতি
  • নির্বাচন
    • স্থানীয় সরকার
    • সংসদ
    • ইসি
  • শিল্প-সাহিত্য
    • কবিতা
    • গল্প
    • উপন্যাস
    • আর্ট
    • চিঠি
    • ছড়া
    • প্রবন্ধ/নিবন্ধ
    • সংবাদ
  • বিবিধ
    • প্রধান খবর
    • রামু প্রতিদিন
    • পর্যটন
      • বৌদ্ধ ‍বিহার
      • স্থাপনা
      • প্রাকৃতিক
    • চাকরির খবর
    • শিল্প-সাহিত্য
    • সংস্কৃতি
    • বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি
    • উন্নয়ন
    • সাংস্কৃতিক
    • মানচিত্রে রামু
    • শিক্ষাঙ্গন
    • শিক্ষা
    • রামু তথ্য বাতায়ন
    • সমস্যা ও সম্ভাবনা
    • আমাদের রামু পরিবার
    • অপরাধ
    • আইন-আদালত
    • মন্ত্রী কথন
    • স্বাস্থ্য

© 2026 JNews - Premium WordPress news & magazine theme by Jegtheme.