হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী :
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম হত্যার ঘটনায় আট জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। সোমবার ১৯ডিসেম্বর রাতে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় স্ত্রী আরেফা বেগম বাদি হয়ে এই মামলা দায়ের করেন। মামলায় শাহ আলমের ভাই আরিফ উল্লাহ ও বাবা মোজাফ্ফর আহমদকে অন্যতম আসামি করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, ইউনিয়নের মন্ডল্যাঘোনা গ্রামে গত ৯ডিসেম্বর পরিবারের সদস্যদের হামলায় গুরুত্বর আহত হন শাহ আলম। এরপর নয়দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে ১৮ডিসেম্বর ভোর পাঁচটায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। হামলায় শাহ আলমের স্ত্রী আরেফা বেগম ও শিশু কন্যা মুন্নিও গুরুত্বর আহত হন।
নিহত শাহ আলমের শ্যালক ছুরুত আলম বলেন, এই হামলা মধ্যযুগিয় বর্বরতাকেও হার মানায়। নিজ পরিবারের হাতে যে কেউ খুন হয়! নাইক্ষ্যংছড়িতে তার প্রমাণ হলো। হামলাকারীরা আমার বোনকে আহত করে শ্লীলতাহানিও করে। এ ঘটনায় আমরা হতবাক। রোববার রাত সাড়ে নয়টায় নিজ গ্রামে শাহ আলমের মরদেহ দাফন করা হয়েছে।
নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ওসি তৌহিদ কবির আমাদের রামু কে বলেন, শাহ আলমের মরদেহ ময়নাতদন্তের পর দাফন করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদি হয়ে আটজনের বিরুদ্ধে আজ সোমবার রাতে হত্যা মামলা দায়ের করেন। আসামিদের আটকে পুলিশ নানা তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।






