মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতি জানতে কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেছেন ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেতনো এল পি মারসুদা।
মঙ্গলবার বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে ঢাকা থেকে তাকে বহনকারী বিশেষ হেলিকপ্টারটি উখিয়া ডিগ্রি কলেজের পাশে অবতরণ করে।খবর বিডিনিউজের।
এর আগে হেলিকপ্টারযোগে ইন্দোনেশীয় মন্ত্রী উখিয়া ও টেকনাফের সীমান্ত এলাকা ঘুরে দেখেন। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।
বেলা ১২টার দিকে কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কার্যালয়ে জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংগঠনসহ (আইওএম) বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন দুদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
এরপর তারা কুতুপালং নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির ঘরে দেখেন; মিয়ানমার থেকে পালিয়ে সেখানে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলেন। মিয়ানমারে সহিংসতায় আহত কয়েকজনের সঙ্গে একান্তে কথা বলতে দেখা যায় তাদের।
এসময় সাংবাদিকরা পরিদর্শনকালী দলটির সঙ্গে কথা বলতে চাইলেও পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা রাজী হননি।
তবে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন বলেন, “দু দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ঢাকায় পৌঁছে বিকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এরপর তারা সাংবাদিকদের সঙ্গে ঢাকায় প্রেস ব্রিফিং করবেন।”
শরণার্থী শিবির পরিদর্শন শেষে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দুপুর দেড়টার দিকে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকার উদ্দেশ্যে উখিয়া ত্যাগ করেন।
রোহিঙ্গাদের বিষয়ে আলোচনা করতে মিয়ানামারের রাজধানী থেকে সোমবার রাতে ঢাকায় পৌঁছান ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
মঙ্গলবার দিনব্যাপী সফর শেষে রাতে জাকার্তায় ফেরার কথা রয়েছে।







