ইমরান হোসাইন, পেকুয়া:
পেকুয়া সদর ইউনিয়নের বাইম্যাখালী এলাকার মৃত আহমদ হোসেনের পুত্র ফরিদুল আলম (৪৬)। ৮ভাই-বোনের মধ্যে ৪র্থ সন্তান তিনি। ছাত্রজীবনে ছিলেন ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। পরে অবিভক্ত চকরিয়া (পেকুয়া) ‘ক’ অঞ্চল যুবলীগের যুগ্ন-আহবায়ক, পেকুয়া সদর ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক, সাদেকুর রহমান ওয়ারেছি-আজমগীর চৌধুরী কমিটির যুগ্ন-সম্পাদক আর বর্তমান উপজেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি। পেকুয়া সদও ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নির্বাচিতও হয়েছিলেন একবার। জড়িত রয়েছেন বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে।
বিএনপি সরকারের সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ মন্ত্রিত্ব ও পেকুয়া তাঁর রাজনৈতিক আধিপত্য থাকাকালীন বছরের পর বছর প্রতিহিংসামূলক মামলা আর জেল জুলুমে কেটেছে তার জীবন। বিএনপি’র স্থানীয় ক্যাডারদের মারধরে পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয়েছিল তাকে। এ সময় দর্জির কাজ করে চালিয়েছিলেন সংসার। শত প্রতিকূলতার মধ্যেও দলীয় পোষ্ট পদবী ব্যবহার করে দখলবাজি চাঁদাবাজিতে জড়াননি কখনো। শত প্রলোভনের উর্দ্ধে থেকে নিজের সবটুকু মেধা আর পরিশ্রম বিলিয়ে গেছেন তাঁর প্রিয় দল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের জন্য, এলাকাবাসীর জন্য। সর্বোপরি দেশের জন্য।
একজন সৎ ও নির্লোভ এই মানুষটি জেল জুলুমের কারণে বিয়ে করেছেন ৪০বছর বয়সে। বর্তমানে ৫ বছর বয়সের রকিদা জন্নাত নামের এক মেয়ে ও স্ত্রী নিয়ে তার পরিবার। এই পরিবার ছাড়া জীবনে সঞ্চয় বলতে আর কোন কিছু নাই।
অপরের জন্য নিজেকে বিলিয়ে যাওয়া সে মানুষটি আজ মরণব্যধি ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুপথযাত্রী। আওয়ামী রাজনীতির জন্য প্রত্যন্ত গ্রাম গঞ্জে ছুটে চলা এ মানুষটি বর্তমানে ঢাকায় আনোয়ার খান মডেল হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। যা অর্থ সঞ্চয় ছিল, তাঁর চিকিৎসার খরচ জোগাতে তা অনেক আগেই শেষ হয়েছে। জমি-জমা যা ছিল, তাও বিক্রি করা শেষ। এখন শুধু ভিটেমাটি অবশিষ্ট। বর্তমানে তাঁর যে চিকিৎসা প্রয়োজন তা দেশে নেই বলে জানিয়ে দিয়েছেন তাঁর চিকিৎসক। তাকে বাঁচাতে হলে নিতে হবে ভারত অথবা সিঙ্গাপুরের উন্নত কোন হাসপাতালে। সর্বনি¤œ ৫০লাখ থেকে ১কোটি টাকা দরকার। বাঁচতে চায়, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের জন্য আজীবন রাজপথে লড়ে যাওয়া এই অকুতোভয় সৈনিক। তাকে বাঁচাতে দরকার সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টা।
সারা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সকল শক্তিসহ এলাকার ধনবান ব্যক্তিরা এগিয়ে আসলে এ টাকা কিছুই না। আসুন না আমরা সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টায় আওয়ামী নিবেদিত প্রাণ ফরিদুল আলমকে বাঁচাতে এগিয়ে আসি। পেকুয়া উপজেলা আওয়ামীলীগসহ সারাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের নেতা আর কর্মীদের একটু প্রচেষ্ঠায় বাঁচতে পারেন তিনি। এছাড়াও আমরা যারা সাধারণ নাগরিক আছি তাদের অল্প অল্প দান তার জন্য অনেক বিশাল। মানুষ মানুষের জন্য কথাটা আমরা আবারো প্রমাণ করতে চাই ফরিদুল আলমকে বাঁচানোর চেষ্ঠা করে।
আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশ রক্ষায় যুদ্ধ করেছি। এবার কি পারিনা একটা আওয়ামী নিবেদিত প্রাণকে নতুন জীবন দানের জন্য ঐক্যবদ্ধ হতে।
ইতিমধ্যে অনেকে তার সহযোগিতার জন্য অনেকে হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। তার জন্য তিনি কৃতজ্ঞ। তিনি হাসপাতালের বেড়ে শুয়ে সকল মানুষের দোয়া কামনা করেছেন।
তাকে সহযোগিতা করতে চাইলে-
ফরিদুল আলমের স্ত্রী- ০১৮৩৩-২৮৩৮৭৭।
হাসপাতালে তার সাথে থাকা নিকটাত্মীয় ০১৮৫৩-০৯৪৩০১ (বিকাশ)।






