আমাদের রামু প্রতিবেদক:
পেকুয়ায় জমি বিরোধের জের ধরে একব্যক্তিকে রাস্তা থেকে অপহরণ করে মারধর ও জোরপূর্বক নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর আদায়ের অভিযোগ রাজাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছৈয়দ নূররে বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (১০মার্চ) একই ইউনিয়নের বামুলা পাড়া এলাকার বাসিন্দা আছহাব উদ্দিন(৫৫) ও তার পুত্র ফরহাদ উদ্দীন জুমার নামাজ আদায়ের জন্য পালাকাটা বড় পুকুর জামে মসজিদে যাওয়ার পথে রাজাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছৈয়দ নূরের নেতৃত্বে ইউপি সদস্য আব্দুল মান্নানসহ ১২-১৫জন ব্যক্তি আছহাব উদ্দিন অপহরণ করে সিএনজি যোগে নিয়ে যায়।
ফরহাদ উদ্দীন বলেন, আমার বাবাকে তারা নিয়ে গেলে আমি পেকুয়া থানা পুলিশের সরণাপন্ন হই। পুলিশসহ আমি আমার পিতাকে খোঁজ না পেলেও সন্ধ্যায় আমার পিতাকে আহত অবস্থায় পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খোঁজে পাই।
আছহাব উদ্দিন বলেন, আমাকে গাড়িতে তুলে স্থানীয় খলিলুর রহমানের পুত্র আব্বাছ ও মৃত আবুল বশরের পুত্র শাহাব উদ্দিন লোহার রড় দিয়ে পিটাতে থাকে। চেয়ারম্যান ছৈয়দ নূর আমাকে গালাগালি ও হুমকি দিতে থাকেন। তারা আমাকে বদিউদ্দিন পাড়ার চেয়ারম্যানের আস্তানায় নিয়ে গিয়ে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তিনটি খালি স্ট্যাম্পে আমার স্বাক্ষর নেয়। আমি প্রাণভয়ে স্বাক্ষর দিই। মারধরে আমার গায়ের শার্ট ছিড়ে গেলে ইউপি চেয়ারম্যান ছৈয়দ নূরের একটি শার্ট আমাকে পরানো হয়। পরে আমি আহতবস্থায় স্থানীয়দের সহায়তায় পেকুয়া হাসপাতালে ভর্তি হই। এব্যাপারে আমি আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি।
অভিযোগের বিষয়গুলো অস্বীকার করে রাজাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছৈয়দ নুর বলেন, আছহাব উদ্দিন বিরুদ্ধে জায়গা জমি সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এব্যাপারে তাকে একাধিকবার নোটিশ করলেও গ্রাম আদালতে উপস্থিত হয়নি। তাই ওইদিন পেকুয়া থেকে আসার পথে তার সাথে আমার দেখা হলে আমি তাকে হাকাবকা করেছি মাত্র। তবে আমি তাকে অপহরণ বা মারধর করিনি। আর স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক সাক্ষর নেওয়ার কথাটিও ভিত্তিহীন।






