মো: ইউছুপ মজুমদার, বান্দরবান প্রতিনিধি :
বান্দরবানের লামা উপজেলায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪২তম শাহদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস যথাযথভাবে পালনের জন্য এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৬ জুলাই) বিকাল সাড়ে ৩টায় স্থানীয় জেলা পরিষদ গেস্ট হাউজের ২য় তলায় হলরুমে এ প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
লামা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, বান্দরবান জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মোঃ আবু মুছা ফারুকী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও গজালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান বাথোয়াইচিং মার্মা, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য মোস্তফা জামাল, ফাতেমা পারুল, উপজেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা আশুতোষ চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক বিজয় আইচ, লামা পৌর মেয়র মোঃ জহিরুল ইসলাম, উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভানেত্রী ও পৌর কাউন্সিলর জাহানারা বেগম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও লামা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মিন্টু কুমার সেন, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি ও পৌর কাউন্সিলর মোঃ রফিক, উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি আব্দুল ওহাব, সাধারণ সম্পাদক জাপান বড়ুয়া, পৌর কৃষকলীগের সভাপতি মোঃ ইউছুপ মজুমদার, উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি মোঃ কামাল উদ্দীন, উপজেলা সেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি মাইকেল আইচ, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মোঃ জাহেদ, সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ কান্তি দাশ, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মংক্যহ্লা মার্মা, মাতামুহুরী সরকারী কলেজের ছাত্রলীগের সভাপতি, মোঃ শহিদুল ইসলাম সাদ্দাম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ সালাহ উদ্দীন ভূঁইয়া নাহিদ, পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সোহেল, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ শাহীন, সাধারণ সম্পাদক মংচিং মার্মা এছাড়াও বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে আগত আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নের্তৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এসময় সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল বলেন, ১৫ আগস্ট জাতীয় জীবনের একটি অন্ধকারাচ্ছন্ন দিন। ঘাতকরা প্রতিহিংসা পরায়ন হয়ে এদেশকে নের্তৃত্ব শূন্য করার জন্য বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করেছিল। এইদিনটি পুরো জাতির জন্য একটি শোকাবহ দিন। অতীব গুরুত্বের সাথে এই দিনটি পালন করা দেশের প্রত্যেকটি মানুষের নৈতিক দায়িত্ব। আমরা লামাবাসী সর্বোচ্চ গুরুত্বের সাথে এই দিবসটি পালন করবো।
বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিচারণ করে জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মোঃ আবু মুছা ফারুকী বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্ম হয়েছিলো এদেশের বঞ্চিত ও শোষিত বাঙালির মুক্তির জন্য। বাঙালির ভাষা, ভোট ও ভাতের অধিকার আদায়ের জন্য। ৫২’র ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলন, ৬২’র শিক্ষা আন্দোলন, ৬৬’র ৬ দফা আন্দোলন, ৬৯’র গণ-অভ্যুত্থান, ৭০’র সাধারণ নির্বাচন আর ’৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধ তাঁর সুযোগ্য ও দক্ষ নেতৃত্বেই সংঘটিত হয়েছিলো। তাঁর সৎ ও দুরদর্শী নেতৃত্বই বাঙালির অধিকার আদায়ের আন্দোলনকে ত্বরান্বিত করেছিলো। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য ও দৃঢ় নেতৃত্বের কারণেই মাত্র ৯ মাসে বাঙালি স্বাধীনতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলো। এদেশের কিছু কুচক্রী মহল বঙ্গবন্ধুর এ সাফল্য চিরতরে মুছে ফেলার জন্য ১৯৭৫সালের ১৫ আগষ্ট স্বপরিবারে হত্যা করেছিল। আজো তারা এদেশ ও জাতির বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।
এব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। এসময় তিনি প্রত্যেকটি নেতাকর্মীকে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা ও শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে একনিষ্টভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।







