আমাদের রামু রিপোর্ট:
কক্সবাজারের রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নে বাঁকখালী নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ দুই স্কুল ছাত্রীর সন্ধান মেলেনি একদিনেও।
সোমবার (৩১ জুলাই) বেলা দুইটার দিকে ইউনিয়নের নাপিতেরচরস্থ পয়েন্টে গোসল করতে গিয়ে-দুই ছাত্রী নিখোঁজ হয়। নিখোঁজ হওয়ার কয়েক ঘন্টা পর থেকেই চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার থেকে আসা ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা উদ্ধার তৎপরতা শুরু করলেও গতকাল মঙ্গলবার (১ আগষ্ট) রাত ৯টা পর্যন্ত দুই শিশুর সন্ধান পাওয়া যায়নি। তবে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রামু উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রিয়াজ উল আলম।
নিখোঁজ দুই শিশু হলো,নাপিতের চর গ্রামের জহির আলমের মেয়ে রোজিনা আক্তার (১০) ও গর্জনিয়া ইউনিয়নের মিয়াজিরপাড়া এলাকার আবদুল আজিজের মেয়ে শারমিন আক্তার (৯)। রোজিনা ফাক্রিকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণী এরং শারমিন নাপিতেরচর কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী।
গতকাল মঙ্গলবার সকালে রামু উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রিয়াজ উল আলম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
নাপিতেরচর কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘শারমিনের বাড়ি গর্জনিয়ায় হলেও নাপিতেরচরস্থ নানা মুফিজুর রহমানের বাড়িতে থেকে- সে পড়ালেখা করছিল। সোমবার বিকেলে শারমিন আর রোজিনা বাঁকখালী নদীতে গোসল করতে গিয়ে স্রোতের টানে হারিয়ে যান। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও এদের সন্ধান না পাওয়ায় নিখোঁজ পরিবার এবং গ্রামবাসীদের মাঝে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
ডুবুরি দলের অধিনায়ক জমির উদ্দিন বলেন,বর্তমানে বাঁকখালী নদীতে স্রোত খুব বেশি। এছাড়া যে স্থানটিতে শিশু দুটি নিখোঁজ হয়েছে ওই স্থানটির গভীরতাও বেশি। যে কারণে উদ্ধার তৎপরতা চালাতে একটু সমস্যা হচ্ছে। তবে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে।
রামু উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রিয়াজ উল আলম বলেন, চট্টগ্রাম থেকে আসা দমকল বাহিনীর ডুবুরি দল এবং কক্সবাজার দমকলবাহিনীর সদস্যরা উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেছে। এ অভিযান আরো জোরদার করার জন্য গতকাল (মঙ্গলবার) রাতে এ অভিযানে নতুন করে যোগ হয়েছেন দেশের সেরা ডুবুরি সাইফুল। অন্যান্য ডুবুরিদের সাথে নিয়ে সাইফুল রাতেও উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন।






