নিজস্ব প্রতিনিধি :
বান্দরবানের লামা উপজেলার ঐহিত্যবাহী দরদরী সুনন্দ বৌদ্ধ বিহারে বৌদ্ধদের অন্যতম দানোত্তম শ্রেষ্ঠ কঠিন চীবর দানোৎসব সম্পন্ন হয়েছে। কঠিন চীবর দানোৎসব উপলক্ষে (২৯ অক্টোবর) রবিবার ভোরবেলায় বুদ্ধ আসনে পূষ্পদান এবং বিহার প্রাঙ্গনে জাতীয় ও ধর্মীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। আগত ভিক্ষু সংঘের প্রাতঃরাশ শেষে সকাল ৯ টায় প্রয়াত গ্রামবাসীদের উদ্দেশ্য অষ্টপরিষ্কারসহ মহা সংঘদান অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপত্বি করেন পটিয়া কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহার ও কমপ্লেক্স এর বিহারাধ্যক্ষ ভদন্ত ড. সংঘ প্রিয় মহাথের, এতে প্রধান ধর্মদেশক হিসেবে উপস্থিত থেকে ধর্মদেশনা করেন পটিয়া মুকুট নাইট ধাতুচৈত্য বিহার এর বিহারাধ্যক্ষ ভদন্ত এইচ. শীলজ্যোতি থের।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে দুপুর ১.২০মিনিটের সময় বুদ্ধ কীর্তন সহকারে কল্পতরু মঞ্চে আনয়ন, ভিক্ষু সংঘ এবং অতিথি বৃন্দের আসন গ্রহন এবং মঙ্গলাচরণের মধ্যে দিয়ে দানোত্তম কঠিন চীবর দানোৎসব ও ধর্মসভা আরম্ভ হয়। দানোত্তম শুভ কঠিন চীবর দানোৎসব উদযাপন পরিষদের সভাপতি লেদু মোহন বড়ুয়ার সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও সাধারণ সম্পাদক আপন বড়ুয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত কঠিন চীবর দানোৎসব ও ধর্মসভার শুভ উদ্বোধন করেন রূপসীপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান ছাচিংপ্রু মার্মা, এতে সভাপতিত্ব করেন দরদরী সুনন্দ বৌদ্ধ বিহারের বিহারাধ্যক্ষ ভদন্ত প্রজ্ঞাশ্রী মহাস্থবির, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পটিয়া কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহার ও কমপ্লেক্স এর বিহারাধ্যক্ষ ভদন্ত ড. সংঘ প্রিয় মহাথের, প্রধান ধর্মদেশক হিসেবে উপস্থিত থেকে স্বধর্মদেশনা করেন, কক্সবাজার জেলাধীন রামু উপজেলার বিশ্ব ঐতিহাসিক রামকুট বনাশ্রম মহাতীর্থ মহাবিহার এর বিহারাধ্যক্ষ ভদন্ত কে.শ্রী জ্যোতিসেন থের। এতে বৌদ্ধ ভিক্ষু-শ্রামনসহ স্থানীয় ও বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত শত শত বৌদ্ধ নর-নারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তৃতীয় পর্বে সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় বিশ্বশান্তি কামনায় সমবেত প্রার্থনা ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলন এবং রাত ৯.০০টায় বুদ্ধ কীর্তন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান দান উদযাপন কমিটির সভাপতি লেদু মোহন বড়ুয়া।







