আব্দুল হামিদ, বাইশারী:
পাবর্ত্য নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় আইন-শৃংখলা বিষয়ক ও মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয় ১২ মার্চ সকাল ১০ টায়। উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নিবার্হী অফিসার এসএম সরওয়ার কামাল। সভায় একাধিক বক্তা বলেন, নাইক্ষ্যংছড়িতে আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক। এখানে তেমন চোর ডাকাত নেই। সন্ত্রাসীও নেই। এভাবে অপহরণকারী সহ যে কোন অপরাধীই এই এলাকার নয়। তারা আরো বলেন,কিন্তু রামু, উখিয়া ও ককসবাজার সদর এলাকার চোর-ডাকাত-অপহরণকারীরা এখানে এসে এসব অপকর্ম করে যাচ্ছে দিনের পর দিন। যাতে করে এ এলাকার সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে। আইন-শৃংখলা সহ নানা প্রসংগ টেনে এনে সভার সভাপতি বলেন, প্রকৃত প্েক্ষ নাইক্ষ্যংছড়ি আইন-শৃংখলা এতো খারাপ না। সাংবাদিকদের অতিরঞ্জিত লিখনির কারণে নাইক্ষ্যংছড়ির সুনামের চাইতে র্দ‚নাম বেশী হচ্ছে ।
একই বিষয়ে সদ্য পদত্যাগ করা বান্দরবান জেলা পরিষদ সদস্য মাষ্টার ক্যাউচিং চাক বলেন, নাইক্ষ্যংছড়িতে কিছু হলেই মিডিয়া শুধু লেখালেখি করে বসে থাকে। যা এলাকার দুর্নাম হয়।
এদিকে সভায় আইন-শৃংখলা কমিটির অনুপস্থিত সদস্যদের বিষয়ে সতর্ক করে দেয়া হয়-ভবিষ্যত তারা যেন অনুপস্থিত না থাকেন। এ সভায় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা চেয়ারম্যান( ভারপ্রাপ্ত) কামাল উদ্দিন, উপজেলার ভাইস-চেয়ারম্যান হামিদা চৌধুরী,থানার ওসি (তদন্ত) যায়েদ ন‚র,আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতা অধ্যাপক শফিউলাহ,সদস্য সচিব ইমরান মেম্বার,নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউপি চেয়ারম্যান তসলিম ইকবাল চৌধুরী,দৌছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হাবিবুলাহ, সোনাইছড়ির চেয়ারম্যান বাহাইন মার্মা,বাইশারী ইউপি চেয়ারম্যান মো: আলম,উপজেলা আওয়ামী নেতা আবু তাহের, ডা: সিরাজুল হক,নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেস ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা ও উপজেলা দ‚নীর্তি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাঈনুদ্দিন খালেধ, প্রেস ক্লাব সভাপতি শামিম ইকবাল চৌধুরী,সাবেক ছাত্র লীগ সভাপতি চু চু মং মার্মা দপ্তর সম্পাদক মো: জয়নাল আবেদ‚ন টুক্কু ও উপজেলা আনসার-ভিডিপি কর্মকর্তা চন্দন দেব সহ উপজেলার সকল দপ্তরের কর্মকর্তা,রাজনৈতিক নেতা সহ কমিটির সকলে উপস্থিত ছিলেন ।
উলেখ্য, সম্প্রতি নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারীতে বেশ কয়েকটি অপহরণের ঘটনা ঘটে। আর সোনাইছড়িতে গত ১০ মার্চ শনিবার রাতে পাইয়ার ঝিরিতে ডাকাতি হয়। আহত হয় এক মেম্বার। এর আগে গণডাকাতির ঘটনা ঘটেছিল ১৫ ফেব্রুয়ারী রাতে সোনাইছড়ির জুমখোলা রাস্তার মাথায়। এ ঘটনার স্থানীয় চেয়ারম্যান সহ দু ইউপি চেয়ারম্যান ডাকাতের মারধরে আহত হয়। এসব ডাকাতি ও অপহরণ ঘটনা পত্রপত্রিকায় লেখালেখির কারণে অপহরণকাীদের বিষয়ে তৎপর হয়। তার পরেও উপজেলা কয়েকটি এলাকাতে মানুষ আতংকিত অবস্থায় দিন যাপন করছেন বর্তমানে।






