একেএম লিয়াকত আলীঃ
আমাদের স্বাধীনতা ও এর ইতিহাস নিয়া অনেক বিজ্ঞ ব্যক্তিগন অনেক তথ্য উপাত্ত সহ অনেক বড় বড় পুস্তক লিখেছেন। আমাদের সর্ব স্তরের স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়্ পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রী পাঠ্যপুস্তক হিসেবে সেই পুস্তক গুলো পড়েন, স্বাধীনতার ইতিহাস সম্পর্কে জ্ঞান আহরণ করেন। বিভিন্ন পরীক্ষায় এই সংক্রান্তে অনেক প্রশ্নের উত্তরও লিখতে হয় তাদের।
আমার জানা নাই – মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে লিখা কতগুলো হতে নিচের প্রশ্ন গুলোর জবাব পাওয়া যাবে? তবে কোনো পরীক্ষায় যে এই প্রশ্ন গুলো কথনও করা হয় না – সেটা মোটামুটি নিশ্চিত করে বলা যায়।
কেননা আমাদের আতেঁল ব্যক্তিবর্গও মনে করেন যে তাদের নির্ঘুম প্রহরী ঘৃনিত পুলিশের কোনো গৌরবের ইতিহাস থাকতে পারে না। থাকলেও ইতিহাস বিকৃত করে হলেও – সেই গৌরব ঐ কালো রাতে আক্রমণের শিকার অন্য কাউকে যেমন EPR, DU or DMC কে খাইয়ে দিতে হবে। তাই তারা কোনো সভা সেমিনারে মুক্তিযুদ্ধে শুরুতেই ২৫ মার্চ কালো রাতে পুলিশের বীরত্বের কথা, গৌরবের কথা, বৃহৎ ত্যাগের কথা কোথায়ও বলতে শুনা যায় না। যে কথাগুলো কেউ কখনও বলে না, শুনি না, জনগন জানে না।
আসুন আমার মনের মধ্যে উঁকিঝুকি দেয়া প্রশ্ন গুলো এক নজর দেখে সেই কথা গুলো জানা যাক :-
১) সর্ব প্রথম পাক হানাদার বাহিনীর কখন কোথায় Tank কামান নিয়ে কাদের আক্রমণ করে ?
২) সর্ব প্রথম কারা ‘303 রাইফেল নিয়ে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সশ্রস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের সূচনা করে ?
৩) সশ্রস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের সূচনার সাথে সাথে কারা সর্বপ্রথম পাকিস্তানী পতাকা খুলে ফেলে বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকা উড়ায় ?
৪) সশ্রস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের সূচনা লগ্নে কারা প্রথম হানাদার বাহিনীর ২ পশুকে বধ করতে সক্ষম হয় ?
৫) সর্বপ্রথম কারা মুক্তিযুদ্ধে শহিদী মৃত্যুবরণ করেন?
৬) কোন বীর পুলিশ অপারেশন সার্চ লাইট শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সারাদেশে ওয়ারলের বার্তায় সশ্রস্ত্র মুক্তযুদ্ধ শুরু হওয়ার তথ্যটি ছড়িয়ে দেন ?
৭) ওয়ারলেস মেসেসে সশ্রস্ত্র যুদ্ধ শুরু হওয়ার খবর পাওয়ার পর কারা দেশের প্রায় সব থানার অস্রাগার থেকে অস্ত্র নিয়া তাৎক্ষনিক যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন ?
৮) কারা প্রথম হানাদার বাহিনী কর্তৃক আটক হন ?
৯) কাদের অস্ত্র দিয়ে প্রথমে মুক্তিযাদ্ধারা প্রশিক্ষণ নেন এবং প্রাথমিক পর্যায়ের সশ্রস্ত্র যুদ্ধ শুরু করেন ?
১০) বাহিনীগত ভাবে আনুপাতিক ভিত্তিতে কোন বাহিনীর বেশি সদস্য মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হন ?
-উপরের সব প্রশ্নের একটাই কমন উত্তর,
“২৫শে মার্চ’৭১ এর কালো রাতে রাজারবাগ পুলিশ লাইনে থাকা অকোতভয় বীর পুলিশ সদস্যরা এবং দেশব্যাপী বিভিন্ন থানায় কর্মরত বাঙ্গালী পুলিশ সদস্যরা।”
– সেই রাতে প্রায় দেড় শত বীর পুলিশ নিজেদের বুকের তাজা রক্তের স্রোতধারা দিয়ে আমাদের মুক্তি পথ পরিস্কার করে দিয়েছেন। প্রায় শতাধিক পুলিশ আটক হয়ে পাশবিক নির্যাতন ভোগ করেন।
তৎকালীন পুলিশের সংখ্যা ছিল প্রায় ৩৮ হাজার। তন্মধ্যে প্রায় ১৪ পুলিশ সদস্য সশ্রস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন এবং ৭৩৯ জন বীর পুলিশ শহীদি মৃত্যু বরন করেন।
বাকী প্রশ্ন গুলোর উত্তর জানার জন্য নিচের লিংকে ক্লিক করুন।
Being a Police – I feel proud.
What about you guys ?
Hey , hater !!!!!
You can hate me or dislike me or criticise me or crush me even wish my death – but I’ll still be there when you need me.
This is deference- we are ready to sacrifice our lives for the security of some ungrateful and ingratitude people – leaving our families insecured.
We made deference in 1971,
We still we are making deference during any national crisis and unrest for your better and secured lives. What are you doing? Absolutely nothing.
So please don’t hate anymore.
Let’s appreciate our cops for your betterment.
লেখকঃ একেএম লিয়াকত আলী
অফিসার ইনচার্জ
রামু থানা, কক্সবাজার।






