১৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, শনিবার
আমাদের রামু
  •  
  • কক্সবাজার জেলা
    • কক্সবাজার সদর
    • উখিয়া
    • কুতুবদিয়া
    • চকরিয়া
    • টেকনাফ
    • পেকুয়া
    • মহেশখালী
  • পার্বত্য চট্রগ্রাম
    • বান্দরবান
    • রাঙ্গামাটি
    • খাগড়াছড়ি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
    • রাজশাহী
    • সিলেট
  • মতামত
    • সম্পাদকীয়
    • গোলটেবিল বৈঠক
    • ধর্মকথা
    • সাক্ষাৎকার
    • তারুণ্যের লেখালেখি
    • ছড়া ও কবিতা
    • কলাম
    • সাধারণের কথা
    • অনলাইন ভোট
  • বিশেষ প্রতিবেদন
    • কীর্তিমান
    • প্রতিভা
    • ঐতিহ্য
    • অবহেলিত
    • পুরাকীর্তি ও প্রত্নতত্ত্ব
    • শেখড়ের সন্ধান
    • প্রতিষ্ঠান
  • রাজনীতি
    • আওয়ামীলীগ
    • বিএনপি
    • জাতীয়পার্টি
    • রাজনৈতিক দল সমূহ
    • ছাত্র রাজনীতি
  • নির্বাচন
    • স্থানীয় সরকার
    • সংসদ
    • ইসি
  • শিল্প-সাহিত্য
    • কবিতা
    • গল্প
    • উপন্যাস
    • আর্ট
    • চিঠি
    • ছড়া
    • প্রবন্ধ/নিবন্ধ
    • সংবাদ
  • বিবিধ
    • প্রধান খবর
    • রামু প্রতিদিন
    • পর্যটন
      • বৌদ্ধ ‍বিহার
      • স্থাপনা
      • প্রাকৃতিক
    • চাকরির খবর
    • শিল্প-সাহিত্য
    • সংস্কৃতি
    • বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি
    • উন্নয়ন
    • সাংস্কৃতিক
    • মানচিত্রে রামু
    • শিক্ষাঙ্গন
    • শিক্ষা
    • রামু তথ্য বাতায়ন
    • সমস্যা ও সম্ভাবনা
    • আমাদের রামু পরিবার
    • অপরাধ
    • আইন-আদালত
    • মন্ত্রী কথন
    • স্বাস্থ্য
ফলাফল নেই
সকল ফলাফল দেখুন
  •  
  • কক্সবাজার জেলা
    • কক্সবাজার সদর
    • উখিয়া
    • কুতুবদিয়া
    • চকরিয়া
    • টেকনাফ
    • পেকুয়া
    • মহেশখালী
  • পার্বত্য চট্রগ্রাম
    • বান্দরবান
    • রাঙ্গামাটি
    • খাগড়াছড়ি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
    • রাজশাহী
    • সিলেট
  • মতামত
    • সম্পাদকীয়
    • গোলটেবিল বৈঠক
    • ধর্মকথা
    • সাক্ষাৎকার
    • তারুণ্যের লেখালেখি
    • ছড়া ও কবিতা
    • কলাম
    • সাধারণের কথা
    • অনলাইন ভোট
  • বিশেষ প্রতিবেদন
    • কীর্তিমান
    • প্রতিভা
    • ঐতিহ্য
    • অবহেলিত
    • পুরাকীর্তি ও প্রত্নতত্ত্ব
    • শেখড়ের সন্ধান
    • প্রতিষ্ঠান
  • রাজনীতি
    • আওয়ামীলীগ
    • বিএনপি
    • জাতীয়পার্টি
    • রাজনৈতিক দল সমূহ
    • ছাত্র রাজনীতি
  • নির্বাচন
    • স্থানীয় সরকার
    • সংসদ
    • ইসি
  • শিল্প-সাহিত্য
    • কবিতা
    • গল্প
    • উপন্যাস
    • আর্ট
    • চিঠি
    • ছড়া
    • প্রবন্ধ/নিবন্ধ
    • সংবাদ
  • বিবিধ
    • প্রধান খবর
    • রামু প্রতিদিন
    • পর্যটন
      • বৌদ্ধ ‍বিহার
      • স্থাপনা
      • প্রাকৃতিক
    • চাকরির খবর
    • শিল্প-সাহিত্য
    • সংস্কৃতি
    • বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি
    • উন্নয়ন
    • সাংস্কৃতিক
    • মানচিত্রে রামু
    • শিক্ষাঙ্গন
    • শিক্ষা
    • রামু তথ্য বাতায়ন
    • সমস্যা ও সম্ভাবনা
    • আমাদের রামু পরিবার
    • অপরাধ
    • আইন-আদালত
    • মন্ত্রী কথন
    • স্বাস্থ্য
ফলাফল নেই
সকল ফলাফল দেখুন
আমাদের রামু
ফলাফল নেই
সকল ফলাফল দেখুন

উদ্বেগ রেখেই পাস হল ডিজিটাল নিরাপত্তা বিল

নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৮
বিভাগ ঢাকা, প্রধান খবর
0
উদ্বেগ রেখেই পাস হল ডিজিটাল নিরাপত্তা বিল
Share on FacebookShare on Twitter

অনলাইন ডেস্কঃ
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ব্যাপক সমালোচিত ৫৭সহ কয়েকটি ধারা বাতিল করে নতুন ডিজিটাল নিরাপত্তা বিল সংসদে পাস হয়েছে।

তবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের বাতিল হওয়া ধারাগুলো নতুন আইনের বিভিন্ন ধারায় রয়ে গেছে বলে তা নিয়ে উদ্বেগ রয়ে গেছে আগের মতোই।

প্রস্তাবিত আইনটিকে ‘স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণতন্ত্রের জন্য হুমকি’ হিসেবে চিহ্নিত করে তা পাস না করতে এক সপ্তাহ আগেও আহ্বান জানিয়েছিল সম্পাদক পরিষদ।

এর মধ্যেই বুধবার সংসদে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন। এটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।

এর আগে বিলের উপর দেওয়া জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে পাঠানো এবং সংশোধনী প্রস্তাবগুলোর নিষ্পত্তি করা হয়।

গত ২৯ জানুয়ারি ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮’ এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। এরপর গত ৯ এপ্রিল তা সংসদে উত্থাপন করেন মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার।

আইনটি মন্ত্রিসভায় ওঠার পর থেকেই এর বিভিন্ন ধারা নিয়ে সমালোচনা করে আসছে গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টরা। তাদের দাবি, এই আইনের ফলে ‘স্বাধীন’ সাংবাদিকতা বাধাগ্রস্ত হবে।

খসড়া আইনটি সংসদে তোলার পর তা পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দিতে সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়। সংসদীয় কমিটিকে প্রথমে চার সপ্তাহ দেওয়া হলেও পরে দুই দফায় তিন মাস সময় বাড়িয়ে নেয় তারা। তবে শেষ দফায় এক মাস সময় নিলেও একদিনের মধ্যে দিন পরেই বৈঠক করে প্রতিবেদন চূড়ান্ত করে সংসদীয় কমিটি।

গত ১৭ সেপ্টেম্বর বিলটি পরীক্ষা করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় সংসদীয় কমিটি। সংসদীয় কমিটির সুপারিশ অনুযায়ীই বিলটি পাস সংসদে পাস হয়েছে।

প্রতিবেদন চূড়ান্ত করার আগে দুই দফায় সম্পাদক পরিষদ, টেলিভিশন মালিকদের সংগঠন অ্যাটকো, ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সঙ্গে বৈঠক করে সংসদীয় কমিটি; তবে তাতেও উদ্বেগ প্রশমিত হয়নি।

সংসদীয় কমিটি প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে সম্পাদক পরিষদ এক বিবৃতিতে বলে, “এই আইন স্বাধীন সাংবাদিকতা ও বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।”

সংসদীয় কমিটির বৈঠকে সম্পাদক পরিষদ খসড়া আইনের ৮, ২১, ২৫, ২৮, ২৯, ৩১, ৩২, ৪৩ ধারার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল।

২০০৬ সালের তথ্যও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে সমালোচনা ছিল। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রণয়নের সময় থেকে সরকার তরফ থেকে বলা হয়েছিল ওই আইনের ৫৭ ধারা বাতিল করে নতুন আইনে বিষয়গুলো স্পষ্ট করা হবে।

৫৭ ধারায় বলা ছিল, “কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েব সাইটে বা অন্য কোন ইলেক্ট্রনিক বিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করেন, যাহা মিথ্যা ও অশ্লীল বা সংশ্লিষ্ট অবস্থা বিবেচনায় কেহ পড়িলে, দেখিলে বা শুনিলে নীতিভ্রষ্ট বা অসৎ হইতে উদ্বুদ্ধ হইতে পারেন অথবা যাহার দ্বারা মানহানি ঘটে, আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটে বা ঘটার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়, রাষ্ট্র ও ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে বা করিতে পারে বা এ ধরনের তথ্যাদির মাধ্যমে কোন ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে উস্কানি প্রদান করা হয়, তাহা ইহলে তাহার এই কার্য হইবে একটি অপরাধ৷

কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন অপরাধ করিলে তিনি অনধিক চৌদ্দ বৎসর এবং অন্যূন সাত বৎসর কারাদণ্ডে এবং অনধিক এক কোটি টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন৷”

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৬১ ধারায় বলা হয়েছে, ২০০৬ সালের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৪, ৫৫, ৫৬, ৫৭ ও ৬৬ ধারা বাতিল হবে। এসব ধরায় কম্পিউটার বা কম্পিউটার সিস্টেম বা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মালিক বা জিম্মাদারের অনুমতি ব্যতিরেকে প্রবেশ; কম্পিউটার, কম্পিউটার প্রোগ্রাম, কম্পিউটার সিস্টেম বা কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত কম্পিউটার সোর্স কোড, গোপন, ধ্বংস বা পরিবর্তন, বা অন্য কোন ব্যক্তির মাধ্যমে উক্ত কোড, প্রোগ্রাম, সিস্টেম বা নেটওয়ার্ক গোপন, ধ্বংস বা পরিবর্তন করার শাস্তি; ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে কম্পিউটার রিসোর্সের ক্ষতি-পরিবর্তন বা হ্যাকিং; ইচ্ছাকৃতভাবে কোন কম্পিউটার, ই-মেইল বা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, রিসোর্স বা সিস্টেম ব্যবহারের মাধ্যমে এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটনের চেষ্টার অপরাধের শাস্তি বলা হয়েছে।

৫৭ ধারার বিভিন্ন বিষয় পাস হওয়া ডিজিটাল নিরাপত্তা বিলে বিভিন্ন ধারায় বর্ণনা করা হয়েছে।

সংসদে উত্থাপিত বিলের ৮ ধারায় ছিল, ডিজিটাল মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য-উপাত্ত ডিজিটাল নিরাপত্তার ক্ষেত্রে হুমকি সৃষ্টি করলে ওই তথ্য-উপাত্ত অপসারণ বা ক্ষেত্রমত, ব্লক করার জন্য বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে ডিজিটাল নিরাপত্তা এজেন্সি অনুরোধ করতে পারবে।

ওই ধারায় আরও বলা হয়েছে, যদি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে মনে হয় যে ডিজিটাল মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য দেশের বা দেশে কোন অংশের সংহতি, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, ধর্মীয় মূল্যবোধ বা জনশৃঙ্খলা ক্ষুণ্নকরে বা জাতিগত বিদ্বেষ ও ঘৃণার সঞ্চার করে তাহলে বাহিনী ওই তথ্য-উপাত্ত ব্লক বা অপসারণ করতে ডিজিটাল নিরাপত্তা এজেন্সির মাধ্যমে বিটিআরসিকে অনুরোধ করতে পারবে।

এই ধারায় পরিবর্তনের জন্য সম্পাদক পরিষদ সংসদীয় কমিটিতে প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে এখানে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।

সংসদীয় কমিটির সুপারিশে এই আইনের প্রয়োগ সংক্রান্ত বিধানে শর্তাংশ যুক্ত করে বলা হয়েছে, “… তবে শর্ত থাকে যে তথ্য অধিকার সংক্রান্ত বিষয়ের ক্ষেত্রে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ এর বিধানবলি কার্যকর থাকিবে।”

মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, “সেকল মহান আদর্শ আমাদের বীর জনগণকে জাতীয় মুক্তি সংগ্রামে আত্মনিয়োগ ও বীর শহীদদিগকে প্রাণোৎসর্গ করিতে উদ্বুদ্ধ করিয়াছিল জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্ম নিরপেক্ষতার সেই সকল আদর্শ…”

বিলে ডিজিটাল নিরাপত্তা কাউন্সিলের আইনমন্ত্রী ও ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিবকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

সংসদে উত্থাপিত বিলে ১৮ ধারায় কম্পিউটার, ডিজিটাল ডিভাইস, কম্পিউটার সিস্টেমে বেআইনি প্রবেশে সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড এবং তিন লাখ টাকার বিধান ছিলো। সংসদীয় কমিটির সুপারিশের পর এখানে শাস্তি কমিয়ে ছয় মাস কারাদণ্ড বা দুই লাখ টাকা দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

বিলের ২১ ধারায় মুক্তিযুদ্ধ বা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বা জাতির পিতার বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা বা প্রচারণার দণ্ডের বিধানের অংশে সংসদীয় কমিটির মতানুসারে ‘জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকা’ যুক্ত করা হয়েছে।

এখানে শাস্তিও কমানো হয়েছে। আগে ১৪ বছরে জেল বা এক কোটি টাকা কিংবা উভয়দণ্ডের বিধান ছিল। এখন কারাদণ্ড ১০ বছরের করার বিধান রয়েছে।

২৫ ধারায় বলা ছিলো, যদি কোন ব্যাক্তি ইচ্ছা করে ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে এমন কোনো তথ্য প্রকাশ করে যা আক্রমাণাত্মক, ভীতি প্রদর্শক বা কাউকে নীতি ভ্রষ্ট করে বা বিরক্ত করে; অপমান অপদস্ত বা হেয় করে; রাষ্টের ভাবমূর্তি বা সুনাম ক্ষুণ্ন করতে বা বিভ্রান্ত করতে কোনো তথ্য সম্পূর্ণ বা আংশিক বিকৃত করে প্রকাশ বা প্রচার করে তবে তা হবে অপরাধ।

এই ধারার চারটি উপধারাকে ছোট করে দুটি উপধারা করা হয়েছে। তবে মূল বক্তব্য প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে।

বিলে বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি আইনগত কর্তৃত্ব ব্যতিরেকে অন্য কারও পরিচিত তথ্য সংগ্রহ, বিক্রয় দখল, সরবরাহ বা ব্যবহার করেন, তাহলে সর্বোচ্চ ৫ বছরের জেল বা ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের বা উভয় দণ্ড হবে। একই অপরাধ বারবার করলে সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা অর্থ দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

পরিচিত তথ্য বলতে বলা হয়েছে, বাহ্যিক, জৈবিক বা শারীরিক তথ্য বা অন্য কোনো তথ্য, যা এককভাবে বা যৌথভাবে একজন ব্যক্তি বা সিস্টেমকে শনাক্ত করে, যার নাম, ছবি, ঠিকানা, জন্ম তারিখ, মায়ের নাম, বাবার নাম, স্বাক্ষর, জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন নম্বর, আঙুলের ছাপ, পাসপোর্ট নম্বর, ব্যাংক হিসাব নম্বর, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ই-টিআইএন নম্বর, ডিজিটাল স্বাক্ষর, ব্যবহারকারীর নাম, ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ড নম্বর, ভয়েজ প্রিন্ট, রেটিনা ইমেজ, আইরিস ইমেজ, ডিএনএ প্রোফাইল, নিরাপত্তামূলক প্রশ্ন বা অন্য কোনো পরিচিত যা প্রযুক্তির উৎকর্ষের জন্য সহজলভ্য।

২৮ ধারায় ধর্মীয় মূল্যবোধ বা অনুভূতিতে আঘাত করার জন্য শাস্তি কমানো হয়েছে। সংসদে উত্থাপিত বিলে ৭ বছরের জেল বা ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান ছিল। পাস হওয়া জেল কমিয়ে ৫ বছর করা হয়েছে।

মানহানিকর তথ্য প্রচার নিয়ে ২৯ ধারায় পরিবর্তনের কথা সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে দাবি করা হলও সেখানে কোনো পরিবর্তন আসেনি।

বিলে ৩১ ধারায় আইন-শৃঙ্খলা অবনতি ঘটে এমন তথ্য প্রচারের বিষয়ে পরিবর্তন করার দাবি জানিয়েছিল সম্পাদক পরিষদ। এখানেও কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।

সংসদে উত্থাপিত বিলের ৩২ ধারা নিয়ে সাংবাদিক মহলের সবচেয়ে বেশি আপত্তি ছিলো। ওই ধারার ফলে প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার পথ রুদ্ধ হবে বলে মনে করছেন সাংবাদিকরা। সংসদীয় কমিটিতেও বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানায় সাংবাদিকরা।

সংসদে উত্থাপিত বিলের ওই ধারায় সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কেউ যদি বেআইনিভাবে প্রবেশ করে কোনো ধরনের তথ্য উপাত্ত, যে কোনো ধরনের ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি দিয়ে গোপনে রেকর্ড করে, তাহলে সেটা গুপ্তচরবৃত্তির অপরাধ হবে এবং এ অপরাধে ১৪ বছর কারাদণ্ড ও ২৫ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডর বিধান রাখা হয়েছিল।

এখানে সংসদীয় কমিটি পরিবর্তন করার সুপারিশ করে। কমিটির সুপারিশে ‘গুপ্তচরবৃত্তি’ শব্দ উঠিয়ে দেওয়া হয়। এখন বলা আছে, যদি কোনো ব্যক্তি ‘অফিশিয়াল সিক্রেট অ্যাক্ট-১৯২৩ এর আওতাভুক্ত কোনো অপরাধ কম্পিউটার, ডিজিটাল ডিভাইস, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, ডিজিটাল নেটওয়ার্ক বা অন্য কোনো ডিজিটাল মাধ্যমে সংঘটন করে বা করতে সহায়তা করেন, তা হলে তিনি সর্বোচ্চ ১৪ বছরের কারাদণ্ড বা ২৫ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

অর্থাৎ এখানে ‘গুপ্তচরবৃত্তি’ শব্দ উঠে গেলেও তেমন কোনো পরিবর্তন আসেনি।

সংসদে উত্থাপিত বিলে এই আইনের অধীনে সংঘটিত অপরাধের জন্য বিনা পরোয়ানায় তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেপ্তারে পুলিশকে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

বিলে বলা, কোনো ব্যক্তি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোতে বেআইনি প্রবেশ সর্বোচ্চ ৭ বছরের জেল, ২৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

সমালোচনায় জাপা এমপিরা

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার বলেন, “সাইবার তথা ডিজিটাল অপরাধের কবল থেকে রাষ্ট্র এবংজনগণের জান মাল ও সম্পদের নিরাপত্তা বিধান এ আইনের অন্যতম লক্ষ্য।”

বিলের জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে পাঠানো এবং সাধারণ নীতির উপর আলোচনার সময় জাতীয় পার্টির ফখরুল ইমাম বলেন, “স্টেক হোল্ডারদের আপত্তি ও বিতর্কিত ধারাসমূহ অপরিবর্তিত রেখে সংসদীয় কমিটি কর্তৃক প্রতিবেদন চূড়ান্ত করা খুবই উদ্বেগজনক।

“একদিকে প্রস্তাবিত বিলের ৮, ২৮, ২৯ ও ৩১ ধারাগুলোর বিষয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্বেগ ও মতামতকে উপক্ষো করা হয়েছে। অন্যদিকে বিতর্কিত ৩২ ধারা ডিজিটাল গুপ্তচরবৃত্তির ক্ষেত্রে ঔপনেবেশিক আমলের অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট-১৯২৩ অনুসরণের সুপারিশ করার দৃষ্টান্ত অত্যন্ত দুঃখজনক ও হতাশাব্যঞ্জক।“

এই আইন অনুসন্ধানমূলক সাংবাদিকতা ও যে কোনো ধরনের গবেষণামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে বলে দাবি করেন জাতীয় পার্টির এই সংসদ সদস্য।

তিনি বলেন, এটা ডিজিটাল নিরাপত্তার নামে নাগরিকদের নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করবে।

জাতীয় পার্টির শামীম হায়দার পাটোয়ারীও বলেন, সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে মতামত ও চিন্তার স্বাধীনতার যে কথা বলা হয়েছে, এই আইন হবে তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

পরে মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার বলেন, “সংসদীয় কমিটির রিপোর্ট দেখলে দেখা যাবে, সাংবাদিকদের সাথে কী পরিমাণ আলোচনা করেছি। আইনমন্ত্রী যে কতবার তাদের সঙ্গে বসেছেন, পরামর্শ নিয়েছেন। প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছি।”

সম্পাদক পরিষদের আপত্তির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, “সম্পাদক পরিষদ নেতৃবৃন্দ সংসদীয় কমিটি ও আইনমন্ত্রীর সঙ্গে যে কথাগুলো বলেছেন, সম্ভবত ভুলে গিয়েছেন। না হলে এই বিল সম্পর্কে তাদের সমালোচনার অবস্থান বিরাজ করে না।

“সাংবাদিকেরা ৩২ ধারা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। সংসদীয় কমিটি সেটাকে সংশোধন করে অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টের কথা বলেছেন। এই অফিশিয়াল সিক্রেসটস অ্যাক্টের অপপ্রচারের নজির এখন পর্যন্ত নেই।

“আমরা লাইন বাই লাইন সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপন করেছি। তাদের কথা অনুসারে যেসব ক্ষেত্রে পরিবর্তন দরকার, তার সবই করেছি।”

ভবিষ্যতে ‘ডিজিটাল যুদ্ধ’র মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে মোস্তাফা জব্বার বলেন, “এই যুদ্ধে যদি রাষ্ট্রকে নিরাপত্তা দিতে না পারি, রাষ্ট্র যদি বিপন্ন হয়, তাহলে অপরাধটা আমাদেরই হবে। আমরা তা হতে দিতে পারি না।”

“সিঙ্গাপুরের ডিজিটাল নিরাপত্তা সংক্রান্ত আইন বিধি বিধান দেখলে বোঝা যাবে, আমরা এটাকে স্বর্গরাজ্য বানিয়েছি। আর ওটাকে জেলখানা মনে করতে হবে,” বলেন তিনি।

স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য ‘দুঃখজনক দিন’

আপত্তি সত্ত্বেও বিল পাসের প্রতিক্রিয়ায় সম্পাদক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ আনাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “এ বিল পাসের কারণে স্বাধীন সাংবাদিকতা, স্বাধীন মত প্রকাশ এবং গণতন্ত্রের জন্য আজকে একটি দুঃখজনক দিন।”

আইনের ২১, ২৫, ২৮, ৩১, ৩২ ও ৪৩ ধারা নিয়ে সম্পাদক পরিষদের উদ্বোগের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, “আমরা মনে করছি, এগুলো বাক স্বাধীনতা এবং সাংবাদিকদের স্বাধীনতার পরিপন্থি।”

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের একাংশের সভাপতি মোল্লা জালাল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “যে বিতর্কের মধ্য দিয়ে আইনটি পাস হল, সেটা শোভন হয়নি। কারণ আইন মানুষের জন্য। আর এই আইনটি বিশেষ করে যারা সাংবাদিকতায় নিয়োজিত তাদের জন্য। তাদের পক্ষ থেকে এর কয়েকটি ধারা নিয়ে অনেক উদ্বেগ জানানো হলেও সেগুলো শোনা হয়নি। কেন শোনা হবে না? প্রশ্ন হচ্ছে সেটা।”

তিনি বলেন, “কালো আইন কখনও কল্যাণকর হয় না। অতীতে অনেক সরকার কালো আইন করেছে, কিন্তু সেগুলো টেকেনি, ওইসব আইনে কোনো সুফলও আসেনি, বরং বাতিল করতে হয়েছে। এই আইনেও যদি মানুষের জন্য আতঙ্কের কিছু থাকে, তাহলে এটাও টিকবে না।”

ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের আরেক অংশ এই আইন পাসের উদ্যোগের বিরোধিতা করে বুধবার সকালে মানববন্ধন, সমাবেশ করেছে।

সূত্রঃ বিডিনিউজ

শেয়ার করুন

  • Tweet
পূর্ববর্তী সংবাদ

বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপে রুমা উপজেলাকে ২-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ফাইনালে আলীকদম উপজেলা

পরবর্তী সংবাদ

রামুতে শহীদ লিয়াকত স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষা-২১ সেপ্টেম্বর

পরবর্তী সংবাদ
রামুতে শহীদ লিয়াকত স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষা-২১ সেপ্টেম্বর

রামুতে শহীদ লিয়াকত স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষা-২১ সেপ্টেম্বর

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বশেষ সংবাদ

বীর মুক্তিযোদ্ধা স্বদেশ বড়ুয়া স্মৃতি ফুটবল দলের অনুশীলন ক্যাম্প উদ্বোধন

বীর মুক্তিযোদ্ধা স্বদেশ বড়ুয়া স্মৃতি ফুটবল দলের অনুশীলন ক্যাম্প উদ্বোধন

এপ্রিল ১৭, ২০২৬
মানবিকতা ও সচেতনতা সমাজকে পরিবর্তন করতে পারে

মানবিকতা ও সচেতনতা সমাজকে পরিবর্তন করতে পারে

এপ্রিল ১৬, ২০২৬
কমলা না কি কলা, সকালে কোনটি বেশি উপকারী?

কমলা না কি কলা, সকালে কোনটি বেশি উপকারী?

এপ্রিল ১৬, ২০২৬
দুর্ঘটনায় হতাহতের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ, ‘ব্যবস্থা’র নির্দেশ

টাইমের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

এপ্রিল ১৬, ২০২৬
সারা দেশে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শুরু আজ

সারা দেশে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শুরু আজ

এপ্রিল ১৫, ২০২৬

জনপ্রিয় সংবাদ

কোনো সংবাদ পাওয়া যায়নি

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

Loading...
«এপ্রিল ২০২৬»
রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০  
« মার্চমে »

© ২০২২ আমাদের রামু ডট কম কতৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

[email protected]

আমরা রাষ্ট্র তথা এলাকার উন্নয়ন, সমস্যা এবং সম্ভাবনার কথা তুলে ধরি। আমরা কেউ কারো প্রতিপক্ষ নই কিন্তু বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে আমরা আপসহীন থাকার চেষ্ঠা করি। আমরা মনে-প্রাণে বিশ্বাস করি যে, সংবাদপত্র রাষ্ট্রের অপর তিন স্তম্ভ- সংসদ, প্রশাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগের পর চতুর্থ স্তম্ভ। একটি কার্যকর রাষ্ট্র গঠন ও পরিচালনায় দায়িত্বশীল সংবাদপত্রের গুরুত্ব অপরিসীম।
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • প্রাইভেসি পলিসি
  • ইউনিকোড কনর্ভারটার

প্রযুক্তি সহায়তায় ❤ ডেবস্ওয়্যার

ফলাফল নেই
সকল ফলাফল দেখুন
  •  
  • কক্সবাজার জেলা
    • কক্সবাজার সদর
    • উখিয়া
    • কুতুবদিয়া
    • চকরিয়া
    • টেকনাফ
    • পেকুয়া
    • মহেশখালী
  • পার্বত্য চট্রগ্রাম
    • বান্দরবান
    • রাঙ্গামাটি
    • খাগড়াছড়ি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
    • রাজশাহী
    • সিলেট
  • মতামত
    • সম্পাদকীয়
    • গোলটেবিল বৈঠক
    • ধর্মকথা
    • সাক্ষাৎকার
    • তারুণ্যের লেখালেখি
    • ছড়া ও কবিতা
    • কলাম
    • সাধারণের কথা
    • অনলাইন ভোট
  • বিশেষ প্রতিবেদন
    • কীর্তিমান
    • প্রতিভা
    • ঐতিহ্য
    • অবহেলিত
    • পুরাকীর্তি ও প্রত্নতত্ত্ব
    • শেখড়ের সন্ধান
    • প্রতিষ্ঠান
  • রাজনীতি
    • আওয়ামীলীগ
    • বিএনপি
    • জাতীয়পার্টি
    • রাজনৈতিক দল সমূহ
    • ছাত্র রাজনীতি
  • নির্বাচন
    • স্থানীয় সরকার
    • সংসদ
    • ইসি
  • শিল্প-সাহিত্য
    • কবিতা
    • গল্প
    • উপন্যাস
    • আর্ট
    • চিঠি
    • ছড়া
    • প্রবন্ধ/নিবন্ধ
    • সংবাদ
  • বিবিধ
    • প্রধান খবর
    • রামু প্রতিদিন
    • পর্যটন
      • বৌদ্ধ ‍বিহার
      • স্থাপনা
      • প্রাকৃতিক
    • চাকরির খবর
    • শিল্প-সাহিত্য
    • সংস্কৃতি
    • বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি
    • উন্নয়ন
    • সাংস্কৃতিক
    • মানচিত্রে রামু
    • শিক্ষাঙ্গন
    • শিক্ষা
    • রামু তথ্য বাতায়ন
    • সমস্যা ও সম্ভাবনা
    • আমাদের রামু পরিবার
    • অপরাধ
    • আইন-আদালত
    • মন্ত্রী কথন
    • স্বাস্থ্য

© 2026 JNews - Premium WordPress news & magazine theme by Jegtheme.