ক্রীড়া ডেস্কঃ
দেশের মাটিতে সাফ ফুটবলে পরপর দুই ম্যাচে জিতেও গোলব্যবধানে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিতে হয় বাংলাদেশের। আর এবার বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই বাংলাদেশ উঠে গেছে সেমিফাইনালে। সুযোগ এসেছে আগের আক্ষেপ এবার পূরণ করার।

বাংলাদেশ সাফ ফুটবলে প্রথম ম্যাচে ভুটানকে হারায়। এরপর দ্বিতীয় ম্যাচে হারায় পাকিস্তানকে। কিন্তু নেপালের বিপক্ষে হেরে আগের দুই জয়ের উচ্ছ্বাস হুট করেই নিভে যায়। এবার সেই হতাশায় প্রলেপ দেওয়ার সুযোগ দাঁড় করিয়ে দিয়েছে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ। আর সুযোগটা সহজে করে দিয়েছে লাওস। দুই ম্যাচে হেরে বিদায় নিয়েছে তারা। আর বাংলাদেশ এক ম্যাচ খেলে জয় তুলে নেওয়ায় নিশ্চিত করেছে সেমিফাইনাল।
লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা নিজেদের প্রথম ম্যাচে লাওসকে ১-০ গোলে হারায়। ম্যাচে ভালো খেলেও গোল করতে পারছিল না বাংলাদেশ। শেষমেষ এক গোল দিয়ে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে তারা। এরপর বাংলাদেশের গ্রুপে থাকা ফিলিপাইন বুধবার সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে লাওসের বিপক্ষে ৩-১ গোলের জয় পায়।
বাংলাদেশ আগামী শুক্রবার ফিলিপাইনের বিপক্ষে মাঠে নামবে। শক্তির বিচারে লাওস এবং ফিলিপাইন এগিয়ে বাংলাদেশের থেকে। আগের দিনের জয়টা তাই বাংলাদেশের খুব করে দরকার ছিল। এরপর আজকের ম্যাচে লাওস যদি ফিলিপাইনকে হারাতো তবে সাফের মতো জটিল সমীকরণের সামনে পড়ে যেত বাংলাদেশ। সেমিতে যেতে কমপক্ষে সমতা করতো হতো জামাল ভূঁইয়াদের। কিন্তু লাওস দুই হারে বিদায় নেওয়ায় জেমি ডে’র শিষ্যরা কিছুটা নির্ভার থাকতে পারবে।
বাংলাদেশ অবশ্য ফিলিপাইনের বিপক্ষে জয় পেলে গ্রুপ সেরা হয়ে সেমিফাইনালে খেলতে পারবে। ঘরের মাঠে সেই আশা করতেই পারে সাদ-সুফিলরা। তবে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করাও কোন অংশে কম না। কারণ বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল সর্বশেষ কোনো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে তিন বছর আগে সেমিফাইনাল খেলেছে। সেবারও গোল্ডকাপেরই আসর ছিল। মামুনুল ইসলামের দল ২০১৫ সালে পেয়েছিল সেমির স্বাদ। সেবার ফাইনালও খেলেছিল মামুনুলরা। কিন্তু হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাদের।






