অনলাইন ডেস্কঃ
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে গৃহবধূকে গণধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার আরও ১ আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। উপজেলার চর জুবিলি ইউনিয়নের মধ্য বাঘ্যা গ্রামের মুরাদ সোমবার সন্ধ্যায় নোয়াখালী জেলা জজ আদালতের ২নং আমলি আদালতের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম নবনীতা গুহের আদালতে জবানবন্দি দেন।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি আবুল খায়ের মুরাদের জবানবন্দি দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এ নিয়ে গ্রেফতার ১১ আসামির মধ্যে ৮ জন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলেন।
এর আগে গত শনিবার সন্ধ্যায় নোয়াখালী জেলা জজ আদালতের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম শোয়েব উদ্দিন খানের আদালতে আসামি জামাল ওরফে হেঞ্জু মাঝি দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। এছাড়াও গত বৃহস্পতিবার মামলার আসামি স্বপন ও ইব্রাহিম খলিল বেচু, বুধবার মামলার প্রধান আসামি সোহেল ও জসিম উদ্দিন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। তারও আগে মামলার আসামি আবুল হোসেন ওরফে আবুইল্যা ও সালাহউদ্দিন একই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
নোয়াখালী ডিবি কার্যালয়ের পরিদর্শক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন সমকালকে বলেন, ডিবির হাতে গ্রেফতার প্রধান অভিযুক্ত মামলার এজাহারবহির্ভূত সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামী লীগের বহিস্কৃত প্রচার সম্পাদক ও চর জুবিলি ইউনিয়নের সাবেক সদস্য রুহুল আমিন ও অন্যতম অভিযুক্ত মো. হাসান আলী বুলুকে (৪৫) অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সোমবার আদালতে ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করলে আদালত শুনানি শেষে হাসান আলী বুলুকে ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন এবং রুহুল আমিন মেম্বারকে জেল গেটে দু’দিন জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন।
গত ৩০ ডিসেম্বর মধ্য রাতে জেলার সুবর্ণ চর উপজেলার চর জুবিলি ইউনিয়নে রুহুল আমিনের নেতৃত্বে ১০-১২ জন দরজা ভেঙে বসত ঘরে ঢুকে স্বামী-সন্তানদের বেঁধে গৃহবধূকে গণধর্ষণ ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করে।
নোয়াখালী পুলিশ সুপার ইলিয়াছ শরিফ বলেন, এ পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে রয়েছে।





