আবদুল হামিদ নাইক্ষ্যংছড়িঃ
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকা বাইশারী ইউনিয়নের কাগজি খোলায় খুটাখালী ছড়ার উপর একটি মাত্র ব্রিজের অভাবে হাজার হাজার মানুষের জীবন ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়েছে। ইউনিয়নের সর্বশেষ প্রত্যন্ত অঞ্চল নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সর্ব উত্তরে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের সর্ব দক্ষিণে পুলিশ ফাড়ী সংলগ্ন এলাকায় খালটির অবস্থান। উক্ত খালের উপর ব্রিজ না থাকায় দশ গ্রামের শত শত স্কুল ছাত্র/ছাত্রীরা, শিক্ষা,দীক্ষা, ব্যবসায়ীদের ব্যবসা বাণিজ্য, কৃষকদের ক্ষেত খামার, মানুষের জীবন মান উন্নয়নসহ সাংস্কৃতিক দিক থেকে অনেক পিছিয়ে রয়েছে উক্ত এলাকায় বসবাসকারী হাজারো মানুষ।

এই প্রতিবেদক সরজমিনে এলাকা ঘুরে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায় উক্ত এলাকায় দু’টি প্রাথমিক বিদ্যালয় দু’টি মাদ্রাসা, একটি উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাজার একর রয়েছে রাবার বাগান, ফলজ, বনজ, ও আবাদী কৃষি জমি। তাছাড়া রয়েছে জনসাধারণের নিরাপত্তা জন্য একটি পুলিশ ফাড়ী, মসজিদ, মক্তব ও বৌদ্ধ বিহার।
সরজমিনে আরো জানা যায়, কাগজি খোলা পুলিশ ফাড়ী সংলগ্ন খালের উপর ব্রিজটি নির্মাণ করা হলে ব্যবসায়ীদের ব্যবসা বাণিজ্য এবং সহজে কাগজি খোলা বাজারে মালামাল আনা নেওয়া সম্ভব হবে এবং পার্শ্ববর্তী ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ ও স্কুল মাদ্রাসা পড়–য়া ছাত্র/ছাত্রীরা বর্ষা কালে সহজে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করা সম্ভব হবে।
এছাড়া ফাঁসিয়াখালী হয়ে ডুলহাজারা বাজার ও চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কে পৌঁছা সম্ভব হবে। এই একটি মাত্র ব্রিজ নির্মাণ হলে এলাকার কৃষকদের কৃষিপণ্য শাক-সবজি রবি শষ্য রাবার বাগানের উৎপাদিত রাবার সামগ্রি গাড়িতে করে আনা নেওয়া অতি সহজ হবে এবং সরকার ও প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা এবং প্রতি মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব পাবে বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ শাহাজাহান।
স্থানীয় ইউপি সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার হোসেন আমাদের রামু ডটকম কে বলেন, একটি মাত্র ব্রিজের অভাবে পুরো এলাকাটি আজ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় মানুষ আদিম যুগের মতো বসবাস করে আসছে। স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা ডাক্তার আজগার আলী বলেন, একটি মাত্র ব্রিজ নিমার্ণ হলে দশ গ্রামের হাজার মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হবে এবং হাজার মানুষের চরম দূর্ভোগ শেষ হয়ে যাবে।

বাইশারী ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আলম কোম্পানী আমাদের রামু ডটকম কে বলেন, খুটাখালী ছড়ার উপর ব্রিজটি নির্মাণের জন্য ইতি মধ্যে প্রশাসনের উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। অচিরেই ব্রিজটি নির্মাণের জন্য উপজেলা সমন্নয় সভায় উপস্থাপন করা হবে।
কাগজি খোলা পুলিশ ফাড়ীর ইনচার্জ (ইনস্পেক্টর) মোঃ মনির আমাদের রামু ডটকম কে বলেন, ব্রিজটি নির্মাণ হলে দ্রুত মানুষের সেবা ও অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে। এলাকাবাসী ব্রিজটি নির্মাণে পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর, জেলা পরিষদ ও উন্নয়ন বোর্ডের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।





