প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ
উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালী ঝুমেরছড়া এলাকায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাংচুর, লুটপাট এবং অন্তঃস্বত্ত¡া গৃহবধুসহ দোকান মালিককে নির্মমভাবে মারধরের ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ প্রধান আসামী নুরুল হাকিম (২৪) কে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃত নুরুল হাকিম ওই এলাকার নুরুল আলমের ছেলে। গত ৫ ফেব্রুয়ারি উখিয়া থানায় নুরুল ইসলামের ছেলে মনির আলম বাদী হয়ে ২জনকে অভিযুক্ত করে এ মামলা (নং ০৫) দায়ের করেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত অপর আসামী মো. আরমান (২১) পলাতক রয়েছে।
মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১ ফেব্রুয়ারি দুপুরে পালংখালী ঝুমেরছড়া এলাকায় মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে জাহাঙ্গীর আলমের মুদির দোকানে গিয়ে বাকীতে মালামাল চান নুরুল হাকিম। কিন্তু দোকানদার জাহাঙ্গীর পূর্বের বকেয়া পরিশোধ না করায় তাকে ফের বাকীতে মালামাল বিক্রিতে অসম্মতি জানান। এসময় নুরুল হাকিম, তার সহযোগি মো. আরমান সহ আরো ৩/৪ জন অজ্ঞাত সন্ত্রাসীর নেতৃত্বে দোকানে লাটি-সোটা নিয়ে হামলা চালায়। হামলাকারিরা মালামাল মাটিতে ফেলে বিনষ্ট করার পাশাপাশি দোকানের চালা ও অন্যান্য আসবাবপত্র ভাংচুর করে। এতে প্রায় ৬০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া দোকানদার জাহাঙ্গীর আলমকে মারধর করে মূমুর্ষু অবস্থায় দোকানের ক্যাশবাক্স থেকে অর্ধ লক্ষাধিক টাকা লুট করে। এসময় ভাইকে মারধরের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসা জাহাঙ্গীরের অন্তঃস্বত্তা বোন ইয়াছমিন আকতার এগিয়ে এলে হামলাকারিরা তাকে ব্যাপক মারধর করে। হামলায় গুরুতর আহত জাহাঙ্গীর আলম ও ইয়াছমিন আকতারকে প্রথমে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে অবস্থার অবনিত হওয়ায় ইয়াছমিন আকতারকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
মামলায় আরো উল্লেখ করা হয়েছে, মারধরে ইয়াছমিন আকতারের ব্যাপক রক্তক্ষরণ হলে গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে যায়। ঘটনায় আহত জাহাঙ্গীর ও ইয়াছমিন আকতারের ভাই মনির আলম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার তদন্তকারির কর্মকর্তা মো. আলিমুর রাজী জানান, এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত নুরুল হামিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। পলাতক অপর আসামীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
মামলার বাদী মনির আলম জানিয়েছেন, এ ঘটনায় মামলা দায়ের করার পর থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তাদের সহযোগিরা মামলা প্রত্যাহারের জন্য তাদের নানাভাবে হুমক-ধমকী দিচ্ছে। যে কারনে বর্তমানে তিনি পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ জন্য তিনি পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।





