প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ
রামু চৌমুহনী স্টেশন চত্বরে পরিষদের উপদেষ্টা মাওলানা মুফতি আবদুর রশিদ হক্কানির সভাপতিত্বে ও পরিষদের আহবায়ক আবদুল মালেকের সঞ্চালনায় হিজরি নববর্ষের গুরুত্ব ও তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা এবং মনোজ্ঞ ইসলামি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রামু উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব সোহেল সরওয়ার কাজল।তিনি বলেন-রামু হল সাংস্কৃতিক দিক দিয়ে উর্বর এক জায়গা।আজ হিজরি নববর্ষের এ আয়োজন রামুকে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নতুন মাত্রা দিল।নির্মল ইসলামি সংস্কৃতি পালনে আজকের এই আয়োজন অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করল।জঙ্গিবাদ দমনে ইসলামি সংস্কৃতি পালনের কোন বিকল্প নেই।উক্ত অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ উল্লাহ নকশবন্দী,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রামু বি আর ডিবির চেয়ারম্যান জনাব শামসুল আলম,রামু উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জনাব সালাহ উদ্দিন,মাওলানা মনজুর আহমদ,মাওলানা কাজী আবু বকর সিদ্দিক। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ শআওলানা মোহাম্মদ ইদরিস,কক্সবাজার সরকারি কলেজের অধ্যাপক আবুল মনসুর।এছাড়া উপস্থিত ছিলেন মাস্টার ছালামত উল্লাহ,আজিজুল ইসলাম,এস এম নিয়ামত উল্লাহ, সাইফুল ইসলাম, রহমত উল্লাহ, আহসানুল হক,মাওলানা রেজাউল করিম,সৈয়দ করিম, এস এম ছফিউল্লাহ,খাজা বাকিবিল্লাহ,খজা সফিউল্লাহ,আবদুল্লাহ সহ হিজরি নববর্নববর্ষ উদযাপন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন-হিজরি সন মুসলমানদের নিকট অতীব গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ। মুসলমানদের দিকে যাবতীয় ইবাদত হিজরিসনকে কেন্দ্রিক করে। মুুসলমাদের কাছে এর কোন গুরুত্ব নেই।বাংলা নববর্ষ,,ইংরেজি নববর্ষ পালন করা গেলে মুসলমান হিসেবে হিজরি নববর্ষ পালন করা আমাদের জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ। নির্মল ইসলামি সংস্কৃতি চর্চার জন্য আজকের এই আয়োজন।জনসাধারণ যাতে ইসলামি সংস্কৃতির সাথে পরিচয় লাভ করতে পারে সেব্যাপরে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। ইসলামি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে ছিল দেশবরেণ্য ইসলামি সংগীত শিল্পীদের পরিবেশনায় বিমোহিত ও মনোমুগ্ধকর হামদ,নাতে রাসুল,ইসলামী সংগীত,দেশাত্মবোধক সংগীতসহ প্রভৃতি।এছাড়াও আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ , প্রশাসনিক কর্মকর্তা,বিজ্ঞ ওলামায়েকেরাম,অধ্যাপক,লেখক,গবেষক, সাংবাদিক,বুদ্ধিজীবী, আইনজীবী।





