ঘটনার পর ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন ভুক্তভোগী নারী। ওই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ফজর আলীসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মামলায় ফজরের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছেন ওই হিন্দু নারী।
মামলায় বলা হয়েছে, সপ্তাহ দুয়েক আগে ওই নারী বাবার বাড়ি বেড়াতে আসেন। বৃহস্পতিবার রাত ১১টার পর ওই নারীর বাবা-মা বাড়ির বাইরে যান। তখন ফজর আলী বাড়িতে প্রবেশ করে তাকে ধর্ষণ করেন।
জেলা পুলিশের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ধর্ষণের অভিযোগে ফজর আলী মারধরের শিকার হন। পরে ফজর সেখান থেকে পালিয়ে যান। ঘটনাস্থলে কিছু ব্যক্তি ভুক্তভোগীর ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়।”
ওই নারী বলেন, টাকা ধার নেওয়া নিয়ে ফজর আলীর সঙ্গে তাদের পরিবারের পরিচয় ঘটে। এ সূত্র ধরেই ফজর আলী বাড়িতে প্রবেশ করে তাকে ধর্ষণ করে।
ঢাকা পোস্ট







