হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী :
কক্সবাজারের রামুর বৌদ্ধ পূরাকীর্তি অঞ্চল পরিদর্শন করে অভিভূত হয়েছেন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের নীতি নির্ধারক ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট অর্ধশতাধিক লোক।
আজ বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলার জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের বিমুক্তি বিদর্শন ভাবনা কেন্দ্র, ভুবন শান্তি একশ ফুট সিংহশয্যা গৌতম বুদ্ধমূর্তি পরিদর্শন করেন।
এসময় তাঁদেরকে স্বাগত জানান বিহার পরিচালনা পর্ষদের সাধারণ সম্পাদক শিপন বড়ুয়া। পরে ভুবন শান্তি একশ ফুট সিংহ শয্যা গৌতম বুদ্ধমূর্তির প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক ভিক্ষু করুণাশ্রী থেরোর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
এর পর তাঁরা সকাল ১১টায় ইতিহাসের অমর কীর্তি, সম্রাট অশোক মহারাজা নির্মিত রাজারকুল ইউনিয়নের রাংকুট বনাশ্রম মহাবিহারে যান।
প্রতিনিধি দলে ছিলেন প্যাসিফিক এশিয়া ট্রাভেল এসোসিয়েশনের (পাটা) সিও মি.মারিও হার্ডি, পালাও ট্যুরিজম বোর্ডের সহসভাপতি তেরিন্স রোলাকড প্রভিতা, বাংলাদেশ ট্যুর অপারেটরস এসোসিয়েশনের পরিচালক তৌফিক রেহমান, অস্ট্রেলিয়ার সাংবাদিক ইয়াং রাইডসহ শিক্ষার্থী, নানা দেশের পর্যটন সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডার ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি দলের সদস্য।
পরিদর্শনকালে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ শাহজাহান আলি, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ নিকারুজ্জামান, কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী, দৈনিক কক্সবাজারের স্টাফ রিপোর্টার সোয়েব সাঈদ, ওমর ফারুক হিরু, দৈনিক আজকের কক্সবাজারের স্টাফ রিপোর্টার হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী প্রমূখ।
পর্যটন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা বলেন, কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিকভাবে স্যাস্টেনেবল অ্যান্ড রেসপনসিবল কোস্টাল ট্যুরিজম ডেসটিনেশন হিসেবে তুলে ধরার কৌশল বের করার লক্ষ্যে আমরা সম্ভাব্য এলাকা পরিদর্শন করছি। পরিকল্পিতভাবে কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পকে এগিয়ে নিতে হবে। কক্সবাজারের পর্যটন শিল্প বিকাশে আমাদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।







