মোঃ দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া:
বইয়ের বাড়তি বোঝার পরিবর্তে,শিশুরা যেন অানন্দদায়ক অনুভূতির মাধ্যমে পড়ালেখা করতে পারে তার ব্যবস্থা করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে ৷
মানুষ নামের সৃষ্টির সেরাজীব মানুষেরাই বাণিজ্যিক সুবিধার স্বার্থে পাঠ্য বইয়ের বাহিরে শিশুদের ভবিষ্যৎ ধ্বংস করা অতিরিক্ত বই, নোট ও গাইডের ব্যবস্থা করছে ৷ অতিদ্রুত এর অবসান হওয়া প্রয়োজন ৷
শিক্ষা ব্যবস্থা হয়েছে ”সৃজনশীল” উদ্যোগটি অবশ্যই ভালো ছিলো ৷ কিন্তু দুর্ভাগ্য অামাদের অনেক শিক্ষক নিজেই সৃজনশীল বুঝেননা ৷
ওনাদেরকে অবশ্য ট্রেনিং দেওয়ানো হচ্ছে, শিক্ষকদের সৃজনশীলতায় যোগ্যতাসম্পন্ন করার পর সৃজনশীল চালু করা হলে অাজ অরো বেশি সুবিধা পাওয়া সম্ভব ছিল৷
একদিকে যেমন সৃজনশীল ব্যবস্থা চালু হলো অন্যদিকে গাইড বইয়ে বাজার সয়লাব হয়ে গেলো ৷
গরীব অনেক ছাত্র/ছাত্রীর পক্ষে উচ্চ মূল্যের সে সব গাইড ক্রয় করা সম্ভব নয়, যে শিক্ষকরা নিজেরাই সৃজনশীল বুঝেননা ওনাদের থেকে বুঝে নেওয়াও সম্ভব হচ্ছেনা ৷
ভোক্তভূগীর স্থানে নিজেকে রেখে একটু ভাবুন, বাস্তবতা এমনই ৷
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়া শিক্ষার্থীর শরীরের ওজনের ১০ শতাংশের বেশী ভারী ব্যাগ বহনের উচ্চ অাদালতের দিক নির্দেশনার জরুরি বাস্তবায়নের তাৎক্ষনিক পদক্ষেপ নেয়া একান্তই প্রয়োজন৷
অস্ট্রিয়ায় তাদের মাতৃভাষা,গণিত,বিজ্ঞান ও ইংরেজী এই চারটি বিষয়ে পাবলিক পরীক্ষা নেয়া হয় ৷ অন্যান্য বিষয় ক্লাসে শিক্ষকরা মূল্যায়ন করেন৷
ইতি পূর্বে শিক্ষামন্ত্রীর দেয়া তথ্য দিয়েছেন ২০১৯সালের এসএসসি পরীক্ষা ৪টি বিষয় কমিয়ে ৯টি বিষয়ে নেয়া হবে ৷
শিক্ষামন্ত্রী ও বরেণ্য শিক্ষাবিদ যারা এতে সমর্থন দিয়েছেন সে জন্যে অাপনাদেরকে সাধুবাদ জানাচ্ছি৷
অাপনাদের প্রতি অনুরোধ অস্ট্রিয়ার মতো করে শুধুমাত্র চার বিষয়ের পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিতে পারলেই প্রকৃত ভাবে শিশু সহায়ক পড়ালেখার ব্যাবস্থা হবে বলে অামি মনেকরি৷
লেখক: লাকসাম,কুমিল্লা৷






