খালেদ শহীদ:
রামুতে ‘মুক্তিযুদ্ধের বিজয় বাঙ্গালীর ঐতিহাসিক উত্তরাধিকার’ শ্লোগানে সাত দিনব্যাপী মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা উদ্বোধন হচ্ছে কাল শুক্রবার।
জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে, শান্তির প্রতীক পায়রা ও বেলুন উড়ানোর মধ্যদিয়ে রামুতে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখবেন তিনি।
রামু মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা উদযাপন পরিষদের চেয়ারম্যান কক্সবাজার-৩ আসনের সাংসদ সাইমুম সরওয়ার কমল মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন।
মেলা উদযাপন পরিষদের মহাসচিব রামু উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রিয়াজ উল আলম আমাদের রামু কে জানান, প্রতিদিন মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মঞ্চে বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণে আলোচনা সভা, কবিতা পাঠ, গণসংগীত, দেশের গান, লোকজ অনুষ্ঠান ও নাটক মঞ্চায়ন করা করা হবে।
স্মৃতিচারণ ও আলোচনা অনুষ্ঠানে জাতীয় পর্যায়ের রাজনীতিবিদ, মুক্তিযোদ্ধা, বুদ্ধিজীবি, সমাজকর্মী ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখবেন।
সাত দিনব্যাপী মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলাকে সামনে রেখে মেলা প্রাঙ্গনকে নবসাজে সাজোনো হয়েছে। মেলার সীমানা প্রাচীরে মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক ম্যূরালে রামুর চারুকলা শিল্পীরা বায়ান্নের ভাষা আন্দোলন, ছেষট্টির ছয়দফা, ঊনসত্তরের গণঅভ্যূত্থান, একাত্তরের স্বাধীনতা আন্দোলনের মুক্তিযুদ্ধের বিজয় গাঁথা, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ চমৎকার ভাবে অলংকৃত করেছেন। তিনি জানান, সাত দিন ব্যাপী মেলার প্রতিদিনের অনুষ্ঠানমালায় থাকবে জাতীয় নেতা ও মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিচারণ পর্ব।
৩০ ডিসেম্বর থেকে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য এ বিজয় মেলার সংগীতানুষ্ঠানে জনপ্রিয় শিল্পীসহ স্থানীয় শিল্পীরা গান পরিবেশন করবেন বলে জানান, রামু মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা উদযাপন পরিষদের সাংস্কৃতিক সম্পাদক বশিরুল ইসলাম।
রামু মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা উদযাপন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইমুম সরওয়ার কমল এমপি জানান, জঙ্গিবাদ, মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে প্রজন্মকে জাগাতে হবে। আমাদের সন্তানদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত করতে হবে। বিজয় মেলায় মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করতে আসবেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা। প্রজন্ম-সন্তানরা মুক্তিযুদ্ধের কথা শুনে উদ্বুদ্ধ হবেন।
এমপি কমল বলেন, আমরা মানুষকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত করতেই রামুতে বিজয় মেলার আয়োজন করেছি। নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত করে সামনে এগিয়ে নেয়ার দায়িত্ব আমাদের।






