এম.এ আজিজ রাসেল:
কক্সবাজার শহরে আড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে জাতীয় সমাজসেবা দিবস। আজ ২ জানুয়ারী সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেনের নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য র্যালীর মাধ্যমে কর্মসূচীর শুরু হয়। র্যালীটি জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রাঙ্গন থেকে র্যালীটি শুরু হয়ে প্রধান সড়ক ঘুরে শহীদ দৌলত ময়দানে এসে শেষ হয়।
পরে দুপুরে জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক প্রীতম কুমার চৌধুরীর সভাপতিত্বে পাবলিক হলের শহীদ সুভাষ হলে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ আনোয়ারুল নাসের। বক্তব্যে তিনি বলেন, সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রণয়নে অনেক অনিয়মের অভিযোগ আমাদের কাছে আসে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের চাপ, আত্মীয়করণের অভিযোগও মাঝে মধ্যে আসে। এ বিষয়ে সতর্ক হতে হবে।
তিনি মনে করেন-চেহারা দেখে নয়, অবস্থা দেখে তালিকা করতে হবে। তাহলে সরকারি সেবা নিশ্চিত হবে।প্রধান অতিথি বলেন, সরকারের ২৫টি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সমাজসেবামূলক কাজ করা হয়। বয়স্কভাতা এখন আর ব্যাংকে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে নিতে হবেনা। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার থেকে তারা ভাতা গ্রহণ করবে। এসবের লক্ষ্য একটাই-মানুষের সেবা নিশ্চিত করা। এরপরও প্রান্তিক জনগোষ্ঠি সরকারী সেবা ঠিক মতো পাচ্ছে কিনা, তা সার্ভে করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। শীঘ্রই এ কাজ আরম্ভ হবে।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- কক্সবাজার বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্স এর মহাপরিচালক শিক্ষাবিদ আলহাজ্ব এমএম সিরাজুল ইসলাম, প্রবীন সাংবাদিক দৈনিক রূপালী সৈকতের সম্পাদক ও প্রকাশক ফজলুল কাদের চৌধুরী, এনজিও ব্যক্তিত্ব ও সমাজসেবক ইঞ্জিনিয়ার কানন পাল।
সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন সমাজসেবার সহকারী পরিচালক ফরিদুল ইসলাম।
এসআরভিপি’র প্রকল্প কর্মকর্তা আবিদুর রহমানের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন সাবেক পৌর কমিশনার আবু জাফর ছিদ্দিকী, শেখ রাসেল শিশু প্রশিক্ষন ও পুনর্বাসনকেন্দ্রের পরিচালক জেসমিন আক্তার, প্রতিবন্ধি সেবা ও সাহায্যকেন্দ্রের ডা. মেহেদী হাসান, মানব কল্যাণ সংস্থার চেয়ারম্যান মাওলানা বশির উল্লাহ খান প্রমুখ।
সভায় ‘সুবর্ণ নাগরিক কার্ড’, শীতবস্ত্র ও ভাতা পরিশোধ বই বিতরণ করা হয়। সমাজসেবা কার্যালয় থেকে কম্পিউটার প্রওশিক্ষণ নেয়া ১০ জনকে দেয়া হয় কৃতিত্বের সনদ।







