সুনীল বড়ুয়া:
জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন বলেছেন, নানা প্রতিকূলতার মাঝেও কক্সবাজার সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ-এর উপর উল্লেখযোগ্য গবেষণা কাজ পরিচালনা করে আসছে। যা বিভিন্ন পর্যায়ে দেশের সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
তিনি সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) কক্সবাজার সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্রে ‘উন্নত পদ্ধতিতে কাঁকড়া ফ্যাটেনিং কলাকৌশল শীর্ষক তিন দিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি বাংলাদেশ মৎস্য গবেষনা ইনস্টিটিউটের অধীনে কক্সবাজার সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্রের কার্যালয় পরিদর্শন করেন।
এ সময় তিনি কাঁকড়া চাষীদের উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের পরামর্শ এবং প্রকৃত কাঁকড়া চাষীদের ঋণ সুবিধা প্রদানেরও আশ্বাস দেন। বিজ্ঞানীদের নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনের আহবান জানান জেলা প্রশাসক।
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের কক্সবাজার সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, ড. মো. জুলফিকার আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন কেন্দ্রের উপ-পরিচালক, কৃষিবিদ ড. আব্দুর রাজ্জাক। অন্যান্যের মধ্যে কক্সবাজার জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড. মো. আব্দুল আলীম বক্তব্য দেন। কর্মশালায় কাঁকড়াচাষী,সরকারী কর্মকর্তাসহ ২৫ অংশ নিচ্ছেন। অংশগ্রহনকারীদের কাঁকড়া চাষের উপর ধারনা দেওয়া হচ্ছে।
সভাপতির বক্তব্যে ড.মো. জুলফিকার আলী বলেন,সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র, কক্সবাজার কর্তৃক ”সামুদ্রিক মৎস্য গবেষণা জোরদারকরন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প” শিরোনামে একটি উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা বর্তমানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতে বর্তমানে প্ল্যানিং কমিশন এ সক্রিয় প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এই প্রকল্প অনুমোদন হলেই বাংলাদেশের সামুদ্রিক মৎস্য গবেষণা বিশেষ করে সামুদ্রিক মাছচাষ ও প্রজননে বিদ্যমান ভৌত অবকাঠামোগত অসুবিধাসমূহ দূরীকরণের মাধমে সামুদ্রিক মৎস্য প্রজনন, চাষ ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত গবেষণার দ্বার প্রসারিত করবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য তিনি জেলা প্রশাসকের সহযোগীতা কামনা করেন।
এ ছাড়াও ইনষ্টিটিউট থেকে দেশের জলজ সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা, পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা এবং জীববৈচিত্র রক্ষার লক্ষ্যে অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্ব সম্পন্ন অপ্রচলিত জলজসম্পদ যেমন কাঁকড়া কুচিয়া, সী-উইড, শামুক ও ঝিনুকের চাষাবাদের উপর গবেষণা পরিচালনার গুরত্ব আরোপ করেন।






