এ.এম হোবাইব সজীব,চকরিয়া:
কক্সবাজারের মহেশখালীতে পুলিশ ডাকাত বন্দুক যুদ্ধে এক ডাকাত নিহত ও ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার হয়েছে। এ সময় পৃথক পৃথক ঘটনায় পুলিশ অফিসার সহ ১১ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। বন্দুক যুদ্ধের ঘটনায় ডাকাত দলে নিয়ন্ত্রণে থাকা ১৪টি বন্দুক ও ৫৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে এ দুঃসাহসিক অভিযানে নেতৃত্বে দিয়েছেন মহেশখালী থানার নবাগত ওসি প্রদীপ কুমার (পিপিএম)।
স্থানীয় লোকজন বলেন, নবাগত ওসি যোগদানের পর থেকে একের পর এক অপরাধীদের আস্তানায় হানা দাওয়ায় সন্ত্রাসীরা গা ঢাকা দিতে শুরু করেছে।
১৪ ফেব্রুয়ারি ভোর রাত্রে ৪ টার দিকে উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের কেরুনতলী নয়াপাড়া পাহাড়ী এলাকয় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে। পুলিশের কাছে সংবাদ ছিল ঐ পাহাড়ে একদল ডাকাত অস্ত্র মওজুদ করে ডাকাতির প্রস্তুতি নিয়ে অবস্থান করছে। মহেশখালী থানা পুলিশ এর অভিযান টের পেয়ে সন্ত্রাসী ডাকাত দল পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে পুলিশ পাল্টা গুলি ছুড়লে ঘটনাস্থলে একজন তালিকা ভূক্ত ডাকাত নিহত হয় ।
সে হোয়ানক ইউনিয়নে পূর্ব বড়ছড়া মাইজপাড়া গ্রামের মৃত নুরুছফার পুত্র আবদু চত্তার (৩৩) বলে জানা গেছে। এ সময় তার নিয়ন্ত্রণে থাকা ১ একটি বন্দুক ও সাথে থাকা সন্ত্রাসীদের আস্তা না থেকে আরো ৫টি বন্দুক ও ২৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে ।
এ সময় ডাকাতদের হামলায় পুলিশের এসআই মনিরুল ইসলাম, এস আই হারুন রশিদ, এস আই শাহেদ ,এএস আই আজিম উদিন, কনেস্টবল সনজয় মজুমদার, রুবেল দাশ, ফিরোজ আহত হয়।
অপর দিকে একই রাত ৩ টার দিকে উপজেলা মাতার বাড়ী ইউনিয়নে মইন্যার ঘোনা নামক স্থানে একদল ডাকাত ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে মাতার বাড়ী পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ এস আই শাওন দাশের নেতৃত্বে একদল পুলিশ মঈনার ঘোনা এলাকায় হানা দেয় পুলিশ ডাকাতদের আত্ম-সর্ম্পন করতে বললে ডাকাতরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে পুলিশ ও তাদেরকে পাল্টা গুলি ছুড়লে ৩ ডাকাত গুলিবিদ্ধ হয়ে পুলিশের হাতে ধৃত হয়। এ সময় ডাকাত দলের মজুদ কৃত স্থান থেকে ৮টি লম্বা বন্দু ও ৩০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে।
এ সময় পুলিশের এস আই শাওন দাশ, এএসআই সুজন মাহামুদ, এ এস আই জাহাঙ্গী, কনেস্টেবল নাজমুল হানান, আহত হয়। গুলবিদ্ধ ডাকাতরা হলেন মাতার বাড়ী মাইজ পাড়া গ্রামের মকছুদ মিয়ার পুত্র ওয়াজ উদ্দিন, আবু ছৈয়দের পুত্র নাছির উদ্দিন, ও নাজু ডাকাত।
এদিকে এই ঘটনার পর কক্সবাজারর জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার ড. একেএম ইকবাল হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রুহুল আমিন ও টুটুল এবং মহেশখালী থানা ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে তিনি মহেশখালী থানার সামনে এক প্রেস ব্রিফিং করেন।
তিনি ঘটনার উল্লেখিত বিবরণ দেন। মহেশখালী থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ প্রিয় চট্টগ্রামকে জানান মহেশখালীতে সন্ত্রাসী ও মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে, এবং এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।







