পলাশ বড়ুয়া:
ভালো থাকা চাই-ই। যে ভাবেই হোক। মানব মনের আকুতিও এটি। এই ভালো থাকা অর্জনে কত জন, কত নাটকীয়তাই না করছে! সবার এক কথা, ভালো থাকা চাই। সেই পথ যত মিথ্যা, ব্যাভিচার, বন্ধুরই হউক।
আবহমান বাংলার ক্লাসিক চোর হলো সিদেল চোর। নাটক, সিনেমা গল্পে এদের উপস্থিতি দেখা মেলে। সারা গাঁয়ে তেল মেখে, হাতে খুন্তি নিয়ে, ঘরের বেড়ার নিচের মাটি সরিয়ে, এক শিল্প করে এই চোরেরা চুরি করতো। বাসাবাড়ি প্রায় পাকা হয়ে যাওয়ায়, এই চোরদের বড্ড দুর্দিন। আজকাল ঘরের সিদ কেটে চুরির ঘটনা তেমন একটা শোনা যায়না। একটু আধটু ঘটলেও ধরা খেয়ে উত্তম-মধ্যমের শিকার হয়।
পরিচ্ছন্ন পোষাকে দিন দাহারে এসি, নন-এসি অফিসে বসে উপহারের নামে ঘুষ বাণিজ্য। অপরাধীদের আটকের নামে বাণিজ্য। মানবাধিকার কর্মীর নাম ভাঙিয়ে মানবতাবাদকে কলুষিত। কর্মসৃজনের নামে হরিলুট করে পাত্তিওয়ালা হতে হতে এলাকায় আমাদের চারিত্রিক, জাতীয়তা, জন্ম সনদ দাতা বনে যাওয়া।
সিদেল চোরেরা মার খাইল। প্রত্যাখ্যাত হইল। এক ঘরে হইল। কিন্তু বড় সিদেল চোরেরা সনদ দেওয়ার যোগ্যতা পাইল এ কেমন বৈপরিত্য !
লেখক : সম্পাদক, সিএসবি ২৪ ডটকম, ইমেইল- infocsb24@gmail.com





