আবদুল হামিদ:
বান্দরবনের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের চাকঢালা পয়েন্টে স্থলবন্দর করার দাবিতেিআজ বৃহস্পতিবার চাকঢালা মহিউচ্ছুন্নাহ মাদ্রাসার সংলগ্ন সড়কে এক দীর্ঘ মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।
নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের সর্বস্থরের লোকজনের ব্যানারে করা এ মানব বন্ধনে দলমত নির্বিশেষে সকলে অংশ নেন। সকাল সাড়ে ১১ টা থেকে প্রায় ১ ঘন্টার এ মানব বন্ধনে রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক, সাংবাদিক, শিক্ষক,ছাত্র-ছাত্রী, ব্যবসায়ী ও শতশত লোকজন এতে অংশ নেন।
এ সময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন, নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফরিদুল আলম, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র নেতা ডা: সিরাজুল ইসলাম,নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা বিএনপির সিনিয়র নেতা নুরুল ইসলাম, নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বর্তমান প্রধান উপদেষ্ঠা সাংবাদিক মাঈনুদ্দিন খালেদ,নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক তসলিম ইকবাল চৌধূরী ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মীর আহমদ প্রমূখ।
এদিকে নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে স্থল বন্দরকে ঘিরে চাপা ক্ষোপ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে নাইক্ষ্যংছড়ির পুরো উপজেলায়। কেননা সম্প্রতি এ সীমান্ত এলাকায় ২ টি পয়েন্টে যথাক্রমে চাকঢালা ও ঘুমধুমের তুমরু এলাকা দিয়ে স্থলবন্দরের স্থান পরিদর্শন করতে আসবে বলে উপজেলা প্রশাসনকে চিঠি দিয়েছিল নৌ পরিবহন মন্ত্রনালয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছিল শুক্রবার ঘুমধুম এবং ১১ মার্চ শনিবার চাকঢালা এ পয়েন্টে। এ সংবাদ উপজেলার আনাচে-কানাছে ছড়িয়ে পড়লে সর্বত্র আনন্দের জোয়ার বইতে শুরু করছিল এর পর থেকে। এরই প্রেক্ষিতে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রশাসন ও নানা উদ্যোগ নিয়েছিল মন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে। এমনকি উপজেলার সর্বস্থরের প্রসাশন সহ রাজনৈতিক, সামাজিক ও গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে প্রস্তুতিও সভা করে উপজেলা প্রশাসন।
বিষয়টি উপজেলা নির্বার্হী অফিসার এসএম সরওয়ার কামাল এ প্রতিবেদককে স্বীকারও করেন। তিনি বলেন, শুক্রবার নৌ-পরিবহন মন্ত্রী মো: শাহ জাহান খান এমপি ঘুমধুমের সাম্ভব্য স্থল বন্দর এলাকা পরিদশর্ন করার কথা রয়েছে। চাকাঢালার বিষয়টি বাতিল করে দেয়া হয়েছে।
সূত্র মতে, চাকঢালা পয়েন্টের স্থল বন্দরের স্থান পরিদর্শনে মন্ত্রীর না আসার বিষয়টি নানা ভাবে জানার পর উপজেলা জুড়ে চাপা ক্ষোভ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে সচেতন মহল সহ সর্বস্থরের লোকজনের মাঝে। এরই প্রতিক্রিয়ার অংশ গতকাল শুক্রবার চাকঢালার এ মানববন্দন।
অপরদিকে মিয়ানমারের একটি সূত্র দাবী করেন, সীমান্ত এলাকার চাকঢালার এ পয়েন্ট দিয়ে স্থল বন্দর চালু করতে মিয়ানমার সরকার যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন ও করে ফেলেছেন ইতিমধ্যে। বিশেষ করে রাস্তা-ঘাট সহ বিভিন্ন স্থাপনা পর্যন্ত নির্মাণ করে ফেলেছেন মিয়ানমার সরকার। শুধু বাংলাদেশ সরকার এ পয়েন্টের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করলে স্থল বন্দর এ পয়েন্টেই হবে। অন্যত্র নয়।






