অনলাইন ডেস্কঃ
জোট নেত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তি ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন এবং একাদশ জাতীয় নির্বাচনে জোটের অংশীদারত্ব নিয়ে বৈঠক করেছেন বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট নেতারা।

রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে রোববার সন্ধ্যা ৭টা থেকে এ বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জোটের সমন্বয়ক নজরুল ইসলাম খান ছাড়াও জোটের শরিক বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীরপ্রতীক, বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গাণি, জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা আবদুল হালিম, এলডিপির মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মুফতি ওয়াক্কাস, নূর হোসাইন কাসেমী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে সাম্প্রতিক রাজনীতির প্রেক্ষাপটে জাতীয় ঐক্য গড়ার বিষয়ে নিজেদের মত তুলে ধরেন বিএনপি নেতারা। এ বিষয়ে জোটের শরিক রাজনৈতিক দলগুলোও নিজেদের মতামত তুলে ধরে। জোটভুক্ত বিভিন্ন দলের নেতারা জানান, জাতীয় ঐক্য গঠনে তাদের আপত্তি নেই। কিন্তু বিএনপি জোটকে উপেক্ষা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।
তারা বলেন, জাতীয় ঐক্যের জন্য বিএনপি ছাড় দিতে প্রস্তুত থাকলেও জোটের জন্য কতটুকু ছাড় দেবে, তা এখনও স্পষ্ট করা হয়নি। এ নিয়ে নিজেদের দলের মধ্যে নেতাকর্মীদের চাপে রয়েছেন তারা। আগামী নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিলে জোটের ভূমিকা এবং তাদের আসন বণ্টন কেমন হবে, তা নিয়েও কথা বলেন কোনো কোনো নেতা। তবে এর পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপি নেতারা বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তির ওপর সবকিছু নির্ভর করছে।
এ সময়ে বিএনপি নেতারা আগামী আন্দোলন নিয়ে জোটের অবস্থান জানতে চান। তারা জানান, সবার অংশগ্রহণে নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য তাদের সামনে আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই। জোটের ঐক্য অটুট রেখে আন্দোলনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিতেও আহ্বান জানান তারা।





