লাইফস্টাইল ডেস্কঃ
সাধারণত ঋতু পরিবর্তনের সময় সর্দি-কাশির সমস্যা দেখা দেয়। এছাড়া প্রচন্ড ঘাম, ঘাম নিয়ে এসির মধ্যে ঢোকা ,ফুল স্পিড ফ্যানের নিচে ঘুমানো, রাস্তার ধূলাবালি -এসব থেকে হতে পারে সর্দি-কাশি। প্রথমদিকে পাত্তা না দিলেও ধীরে ধীরে তা মারাত্মক আকার ধারন করতে পারে। তখন আবার এটি সারাতে অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োজন হয়।কিন্তু খুব বেশি অ্যান্টিবায়োটিক খেলে তার কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াও দেখা দেয়। এ কারণে ঘরোয়া উপায়েই সর্দি-কাশি নিরাময়ের উদ্যোগ নিতে পারেন। যেমন-

১. একটা হাঁড়িতে পানি নিয়ে তাতে ১ টেবিল চামচ আদা কুচি মিশিয়ে ভালভাবে জ্বাল দিন। এবার তাতে অল্প মধু মেশান। দিনে তিনবার এই মিশ্রণটা খেলে উপকার পাবেন।
২. মধুর সঙ্গে এক চা চামচ আদা কুচি, গোল মরিচের গুঁড়া এবং লবঙ্গের গুঁড়া মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটা দিনে তিনবার খেলে সর্দি-কাশি সারাতে কাজ করবে।
৩. হালকা গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে কুলিকুচি করুন। এতে বুকে জমে থাকা কফ বেরিয়ে আসবে। এক টুকরো আদা চিবুতে পারেন। আদার রস বুকের জমা কফ পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।
৪. হালকা গরম পানিতে লেবুর রস,এক চামচ মধু মিশিয়ে খেলে শ্বাসযন্ত্রে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ কমে, বুক থেকে কফ দূর করে, গলা পরিষ্কার রাখে।
৫. সম পরিমাণে পেঁয়াজের রস, লেবুর রস, মধু এবং পানি মিশিয়ে জ্বাল দিন। কিছুটা গরম হলে নামিয়ে ফেলুন। হালকা গরম এই মিশ্রণটি দিনে তিন থেকে চারবার খান, আরাম পাবেন।
৬. হলুদে থাকা কারকুমিন উপাদান বুকে জমে থাকা কফ পরিষ্কার করে,বুকের ব্যথা কমায়। এক গ্লাস দুধে আধা চা চামচ হলুদের গুঁড়ো মিশিয়ে ফোটাতে থাকুন। ২ চা চামচ মধু এবং সামান্য গোল মরিচের গুঁড়ো মেশান। এতে মিশ্রণটা বেশ গাঢ় হবে। দিনে দু থেকে তিনবার এটি খেলে বুকে জমে থাকা কফ কমে যাবে।
৭. এক কাপ হালকা গরম পানিতে ২ চা চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনেগার ও এক চা চামচ মধু মেশান। এই পানীয়টি দিনে ২ থেকে ৩ বার খান। নিয়মিত কয়েকদিন খেলে উপকার পাবেন।
৮. এছাড়া মুরগি ও সবজির স্যুপ, তুলসি পাতার চা খেলে সর্দি-কাশিতে আরাম পাবেন।
সূত্র : নিউজ এইট্টিন






