অনলাইন ডেস্কঃ
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নির্বাচনে বিএনপির পরাজয়ের কারণ সাম্প্রদায়িক শক্তির সঙ্গে তাদের সখ্য। নোয়াখালী থেকে ঢাকা যাওয়ার পথে ফেনীর মহিপালে রোববার রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বাংলাদেশের জন্মই হলো অসাম্প্রদায়িক চেতনা থেকে। ফলে এখানে সাম্প্রদায়িক চেতনা বেশিদিন টিকবে না। মুসলিম লীগের মতো রাজনীতি কেউ ধরে রাখতে পারবে না। বিএনপির এই পরাজয়ের মূলে রয়েছে সাম্প্রদায়িক শক্তির সঙ্গে তাদের সখ্য। তারা যুদ্ধাপরাধীদের সমর্থন করেছে। জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষকতা করেছে।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক দাবি করেন, এসব কারণেই দেশের তরুণ সমাজ, সাধারণ ভোটার, সচেতন সমাজ আস্তে আস্তে বিএনপির কাছ থেকে দূরে সরে গেছে। যে কারণে তাদের এই পরাজয়।
এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন ফেনী সদরে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য নিজাম হাজারী ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা।
এদিকে, নিজের নির্বাচনী এলাকা নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় ভোট দেওয়ার পর ওবায়দুল কাদের দাবি করেন, সারাদেশে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট হচ্ছে। তবে সাম্প্রদায়িক শক্তি পরাজয় মেনে নিতে না পেরে মরণ কামড় দিতে পারে।
তিনি বলেন, বিজয়ের মাসে সাম্প্রদায়িক শক্তি পরাজয় মেনে নিতে পারবে না। পরাজয় মেনে নিতে না পেরে তারা মরণ কামড় দেবে। তারা যে কোনো মুহূর্তে আঘাত করতে পারে। এটা মোকাবেলা করার জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও দলীয় নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকতে হবে।
বিভিন্ন অভিযোগ সম্পর্কে ওবায়দুল কাদের বলেন, কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। তবে প্রতিটি কেন্দ্রে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হবে। মহাজোটের গণজোয়ার দেখে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি বেপরোয়া হয়ে উঠতে পারে। নির্বাচনের কারণে এখন পর্যন্ত যে ক’জন নিহত হয়েছেন, তারা সবাই আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের রাজাপুরে উদয়ন প্রি-ক্যাডেট একাডেমি কেন্দ্রে ভোট দেন ওবায়দুল কাদের। এরপর তিনি নোয়াখালী-৫ আসনের বিভিন্ন এলাকার নির্বাচনী পরিবেশ ঘুরে দেখেন।





