অনলাইন ডেস্কঃ
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, রোহিঙ্গা ইস্যু বেশিদিন জিইয়ে রাখা হলে এ অঞ্চলে অশান্তি সৃষ্টি হবে। এতে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সমানভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা এখন আর বাংলাদেশের সমস্যা নয়। এটা একটি আন্তর্জাতিক সমস্যা, এ সমস্যা সমাধানে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। আমরা সবাই মিলেই এ সমস্যার সমাধান করব।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর মঙ্গলবার সিলেটে ফিরেছেন সিলেট-১ আসন থেকে বিজয়ী সংসদ সদস্য ড. এ কে আবদুল মোমেন। এ উপলক্ষে বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন স্থানে তাকে অভ্যর্থনা ও সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। সংবর্ধনা চলাকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ড. মোমেন এসব কথা বলেন।
পররাষ্ট্র কৌশল জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমারা কারও সঙ্গে শত্রুতা নয়, বরং সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব রেখেই চলতে চাই।’
আবদুল মোমেনের আগে সিলেট থেকে আরও দু’জন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। তারা হলেন প্রয়াত আবদুস সামাদ আজাদ ও হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী।
দায়িত্ব নেওয়ার পর এদিন দুপুর দেড়টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি নিয়মিত ফ্লাইটে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেন ড. মোমেন। বিমানবন্দরের অভ্যন্তরে তাকে অভ্যর্থনা জানান জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী।
বিমানবন্দর থেকে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে তিনি হযরত শাহজালালের (রহ.) মাজারে আসেন। মাজার জিয়ারত শেষে তিনি সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে বিকেলে সিলেট চেম্বার সভাপতি খন্দকার সিপার আহমদের সভাপতিত্বে সংবর্ধনা সভায় বক্তব্য দেন ড. মোমেন।
এদিকে বুধবার জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে তাকে সংবর্ধনা দেওয়ার আয়োজন করা হয়েছে।
মাজার জিয়ারত শেষে ড. মোমেন প্রয়াত আবদুস সামাদ আজাদ ও হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীকে স্মরণ করে বলেন, তাদের যে সুনাম রয়েছে ও তারা যেভাবে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন, আমি তাদের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চাই।
বিমানবন্দর ও শহীদ মিনারে ড. মোমেনের সঙ্গে ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ, জেলা সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী, সহসভাপতি আশফাক আহমদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিজাম উদ্দিন, অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন খান, সুজাত আলী রফিক, মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক বিজিত চৌধুরী, অধ্যাপক জাকির আহমদ, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আজাদুর রহমান আজাদ প্রমুখ।





