অনলাইন ডেস্কঃ
খাগড়াছড়ি সদর উপজেলায় দুর্বৃত্তের গুলিতে পিপলু বৈষ্ণব ত্রিপুরা ওরফে রনি (৪২) নামে ইউপিডিএফ প্রসীত গ্রুপের এক কর্মী নিহত হয়েছে।

শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার গাছবান এলাকায় দুর্বৃত্তরা তাকে গুলি করে হত্যার পর পালিয়ে যায়।
নিহত রনি খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার বল্টুরাম এলাকার প্রয়াত নিগমানন্দ বৈষ্ণব ত্রিপুরার ছেলে।
পুলিশ জানায়, রনি পাহাড়ের আঞ্চলিক সংগঠন ইউপিডিএফ প্রসীত গ্রুপের সামরিক শাখার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। ২০১৬ সালের ২৩ নভেম্বর যৌথ বাহিনীর এক অভিযানে অস্ত্রসহ আটক হয়েছিলেন তিনি। কারাগার থেকে বের হয়ে আবারও তিনি ইউপিডিএফের সঙ্গে সম্পৃক্ত হন।
রনিকে নিজেদের সাবেক কর্মী দাবি করে ইউপিডিএফ প্রসীত গ্রুপের কেন্দ্রীয় প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নিরন চাকমা বলেন, একটি দুর্ঘটনায় পায়ে আঘাত পেয়ে শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী হয়ে পড়েন রনি।
ইউপিডিএফের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকায় জনসংহতি সমিতির সংস্কারবাদীরা তাকে হত্যা করেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তবে ইউপিডিএফর অভিযোগ অস্বীকার করে জনসংহতি সমিতির (এমএন লারমা) কেন্দ্রীয় ছাত্র যুব বিষয়ক সম্পাদক এবং বাঘাইছড়ি উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সুদর্শন চাকমা বলেন, এটি (হত্যাকাণ্ড) তাদের নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিরোধের কারণে হয়ে থাকতে পারে। জনসংহতি সমিতি ‘পার্বত্যচুক্তি’ বাস্তবায়নে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনে বিশ্বাসী।
খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) সাহাদাত হোসেন টিটো ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।







