অনলাইন ডেস্কঃ
অফিস চলাকালে সরকারি চিকিৎসকদের প্রাইভেট প্র্যাকটিস বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে রিট করা হয়েছে হাইকোর্টে। সোমবার হাইকোর্টের সংশ্নিষ্ট শাখায় এ রিটটি করেন সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ আইনজীবী আবদুস সাত্তার পালোয়ান, সালাউদ্দিন রিগান, সুজাত মিয়া, আমিনুল হক ও কাওছার উদ্দিন মণ্ডল।

রিটে প্রাইভেট প্র্যাকটিস বন্ধের বিষয়ে সরকারের নিষ্ক্রিয়তাকেও চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। এ ছাড়া সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের অনিয়ম বন্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার নির্দেশ চাওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, সরকারি চিকিৎসকদের কাছ থেকে চিকিৎসা পাওয়া প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। তবে সম্প্রতি নিজ কর্মস্থল সরকারি হাসপাতাল রেখে অনেক চিকিৎসক তার ব্যক্তিগত চেম্বারে চিকিৎসা দিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরকারি হাসপাতালের কর্মঘণ্টা চলাকালে এমন অসদাচরণ আইনের দৃষ্টিতে অপরাধ।
রিটে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) সভাপতি ও বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশেনের (বিএমএ) সভাপতিকে বিবাদী করা হয়েছে। পাশাপাশি বিবাদীদের প্রতি রুল জারি করে সরকারি চিকিৎসকদের প্রাইভেট প্র্যাকটিস বন্ধ এবং সরকারি হাসপাতালের সব কার্যক্রম তদারকির জন্য কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না- সে জন্য আদালতের আদেশ প্রার্থনা করা হয়েছে। এ ছাড়া রিট আবেদনে অভিজ্ঞ ও বিশেষজ্ঞদের দিয়ে সরকারি চিকিৎসকদের প্রাইভেট প্র্যাকটিস বিষয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা তৈরিতে স্বাধীন কমিশন গঠনেরও আবেদন জানানো হয়।
এর আগে গত ২৯ জানুয়ারি একই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের আইনি নোটিশও দিয়েছিলেন আইনজীবী আবদুস সাত্তার পালোয়ান। বিবাদীরা ওই নোটিশের জবাব না দেওয়ায় সোমবার এ বিষয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়।





