প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষুঃ
আগামীকাল শনিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সারা দেশে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন হতে যাচ্ছে।

সারাদেশে মোট দুই কোটি ২০ লাখ ৫৪ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে বলে জানা গেছে।
সারাদেশের ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে এবার রামুতেও ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল পাবে ৫২,৭২৬ শিশু। রামু উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মিছবাহ উদ্দীন আহমদ আমাদের রামু ডটকম কে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, এবার সমগ্র রামু জুড়ে মোট ২৬৪টি কেন্দ্র থেকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। থাকবে আরো ৩টি অস্থায়ী কেন্দ্র। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলবে এই কর্মসূচি।
এ বছর রামু উপজেলার এগার ইউনিয়নে ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের মধ্যে ক্যাপসুল পাবে ৪৫,৪৭৪ জন। আর ছয় থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের মধ্যে ক্যাপসুল পাবে ৭,২৫২ জন।
শনিবারের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে ইতোমধ্যে সব ধরণের প্রস্তুতি শেষ করা হয়েছে বলে জানান ডাঃ মিছবাহ উদ্দীন আহমদ।
এ উপলক্ষে গত ৬ ফেব্রুয়ারি মাঠকর্মকর্তা, ধর্মীয়গুরু, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধিসহ বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধি নিয়ে অবহিতকরণ সভার আয়োজন করেছে রামু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
কেন এই ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়:
ভিটামিন ‘এ’ অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব থেকে শিশুদের রক্ষা করে, শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ডায়রিয়ার ব্যাপ্তিকাল ও জটিলতা কমায়।
কোন শিশু কোন ভিটামিন পাবে:
৬ মাস থেকে ১ বছর বয়সী সকল শিশুকে ১টি করে নীল রঙের এবং ১ বছর থেকে ৫ বছর বয়সী সকল শিশুকে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়।
যেভাবে এল এই ভিটামিন:
বাংলাদেশে ভিটামিন ‘এ’ এর অভাবজনিত সমস্যা প্রতিরোধে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে জাতীয় পুষ্টি সেবা, জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান বছরে দুইবার জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন করে থাকে।
উল্লেখ্য, গত ১৯ জানুয়ারি ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের তারিখ নির্ধারণ করা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে ওষুধের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় তা আপাতত স্থগিত করা হয়। আগামীকাল (৯ ফেব্রুয়ারি) প্রায় বিশ দিনের ব্যবধানে পুণরায় উক্ত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে সরকার।






