আমাদের রামু রিপোর্টঃ
কক্সবাজারের রামু উপজেলার কাউয়ারখোঁপ ইউনিয়নের লট উখিয়ারঘোনা টেইল্যা পাড়া গ্রামের এক মুদির দোকানদারকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে পুলিশের হাতে অাটক হয়েছে ষড়যন্ত্রকারী নুর অালম ( ৩৭) নামে এক যুবক।

এ ঘটনায় রামু থানা পুলিশের পিএসঅাই বাদী হয়ে মাদকের মামলা রুজু করেছেন। ঘটনার হোতা অাটক নুরুল অালম একই এলাকার অালী অাকবরের ছেলে।
রামু থানা সূত্রে জানা যায়, ২৮ জুন শুক্রবার রাত ৮টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নাম্বারে ফোন করে রামু উপজেলার কাউয়ারখোঁপ ইউনিয়নের টেইল্যা পাড়া এলাকায় মুদি দোকানদার মমতাজ মিয়া ওরফে ভূট্টোর দোকানের বিস্কুটের রেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট রয়েছে মর্মে অভিযোগ জানান এই মোবাইল নং ০১৮৫৫৭৬১৩১১ ব্যবহারকারী কাজল নামে এক যুবক। ঘটনার ব্যাপারে জরুরি সেবা থেকে রামু থানাকে বিষয়টি অবহিত করা হয়। পরবর্তীতে রামু থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ এর নির্দেশে পিএসঅাই (নিরস্ত্র) কিশোর বড়ুয়া রামু থানা জিডি নং ১২১৩ মূলে সঙ্গীয় ফোর্সসহ ২৮ জুন রাত সাড়ে ৯টায় ঘটনাস্থলে অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযানের সময় স্থানীয় লোকজনকে সাথে নিয়ে দোকানে তল্লাসী করে ৫০টি ইয়াবা ট্যাবলেট পায় পুলিশ। ঘটনাস্থলে অভিযুক্ত দোকানদার ভূট্টোকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি মাদক ব্যবসার সাথে কোনভাবেই জড়িত নন বলে পুলিশকে জানান। পরবর্তীতে স্থানীয় ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে ব্যাপক জিজ্ঞসাবাদে স্থানীয়রা অভিযুক্ত মমতাজ মিয়া ওরফে ভূট্টোকে স্থানীয় ছৈয়দ নূর গংদের সাথে ব্যক্তিগত ঝগড়া হতে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ভূট্টোকে ফাঁসাতে চেষ্টা করেছেন বলে তথ্য দিয়েছেন।
ঘটনাস্থল থেকে নুর অালম নামে একজনকে অাটক করে তার মোবাইল ফোনের কল লিষ্ট তল্লাসী করলে ঘটনার অাসল রহস্য উদঘাটন হতে শুরু করে। পুলিশের জিজ্ঞেসাবাদে নুর অালম পূর্ব ঘটনার জের ধরে কাজলের সহযোগিতায় নিরীহ দোকানদার ভূ্ট্টোকে নিষিদ্ধ ইয়াবা বড়ি দিয়ে ফাঁসাতে চেয়েছিলেন বলে স্বীকার করেছেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রামু থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এইচ এম মিজানুর রহমান আমাদের রামু ডটকম কে জানান, ব্যক্তিগত কলহ থেকে প্রতিপক্ষকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ধারায় দোষীদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে। উক্ত ঘটনার সাথে জড়িত থাকা এক জনকে অাটক করা হয়েছে এবং ঘটনায় জড়িত অন্যান্য অাসামীদের অাটকের চেষ্টা চলছে।
এদিকে রামু থানা পুলিশের এমন ভূমিকায় প্রশংসায় পঞ্চমূখ এলাকাবাসী এবং প্রত্যক্ষদর্শীরা। এ নিয়ে সর্বমহলে চলছে অালোচনা । রামু থানা পুলিশের নিরপেক্ষ এবং প্রশংসনীয় এই ভূমিকা অাগামীতে নিরীহ মানুষকে হয়রানি করার বিরুদ্ধে এবং ষড়যন্ত্রকারীদের প্রতি একটা সুস্পষ্ট বার্তা দেবে বলে মনে করেন সুশীল সমাজ।





