হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী :
কারও হাতে বালুর ঝুঁড়ি, কারও হাতে কোদাল। দুজন মিনি ট্রাক (পিকআপ) থেকে বালু ফেলছেন, অন্যরা তা মিলিয়ে দিচ্ছেন- এভাবেই স্বেচ্ছাশ্রমে কাঁদাযুক্ত দুটি সড়ক চলাচলের উপযোগী হয়ে গেল।

কক্সবাজারের রামুর গর্জনিয়া ইউনিয়নের নূর নাহার চৌধুরী সড়ক (সিকদার পাড়া থেকে শর্মাপাড়া পর্যন্ত) ও গর্জনিয়া উপস্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সড়কে শুক্রবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কাজ করে এভাবে স্বেচ্ছাশ্রমে বালু দিয়ে কাঁদামাটি অপসারণ করা হয়েছে।
স্বেচ্ছাশ্রমের এই কাজে কোদাল হাতে নেতৃত্বদেন গর্জনিয়া ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি হাফেজ আহমদ। তাঁর এমন মহতী উদ্যোগে একে একে যুক্ত হন গ্রামীন ব্যাংক কর্মকর্তা অমর শর্মা, রিকু রঞ্জন শর্মা, নবী আলম, সমাজসেবক হারুণ সিকদার, যুবলীগ নেতা ওয়াহিদুল আলম চৌধুরী, বিএটিবির মাঠ কর্মকর্তা ইসমাঈল হোসাইন, ছাত্রলীগনেতা ইকবাল হোসাইন স্বাধীন, ইনজামাম উল হক চৌধুরী, জিয়াউদ্দিন সোহেল, মনি, নুরুল হাকিমসহ অনেকে।
কাজে নিযুক্ত কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, স্বেচ্ছাশ্রমে সংস্কার করা রাস্তা দুটি অধিক গুরুত্বপূর্ণ। এসব রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ যাতায়াত করে।
গর্জনিয়া ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি হাফেজ আহমদ বলেন- ‘নূর নাহার চৌধুরী সড়কটি যুগ যুগ ধরে অবহেলিত। বৃস্টি হলেই সড়কটি কাঁদাযুক্ত হয়ে পড়ে। স্থানীয় লোকজন জনপ্রতিনিধিদের কাছে গিয়ে ধরনা ধরলেও কাজ হয়নি। তাই জনপ্রতিনিধিদের দিকে চেয়ে না থেকে আমরা নিজেরাই স্বেচ্ছাশ্রমে সড়কটি বালু দিয়ে কাঁদামুক্ত করলাম। পাশাপাশি হাসপাতাল সড়কটিও মেরামত করা হয়েছে।’






