অনলাইন ডেস্কঃ
পীরগঞ্জের মাঝিপাড়ার হিন্দুপল্লীতে হামলার মূল উসকানিদাতা হিসেবে যাকে র্যাব চিহ্নিত করেছে, সেই সৈকত মণ্ডলকে সংগঠন থেকে ‘বহিষ্কারের’ কথা জানিয়েছে রংপুর ছাত্রলীগ।

র্যাবের অভিযানে সৈকত গ্রেপ্তার হওয়ার পরদিন শনিবার রংপুর কারমাইকেল কলেজ ছাত্রলীগের পক্ষে থেকে সৈকতসহ দুজনকে সাংগঠনিক পদ থেকে ‘অব্যাহতি’ দিয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি আসে সাংবাদিকদের কাছে। আর মহানগর ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন বহিষ্কারের কথা।
তবে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সৈকতকে ১৮ অক্টোবরই কারমাইকেল কলেজ শাখা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
মাঝিপাড়ায় হামলাটি হয়েছিল ১৭ অক্টোবর রাতে, আর র্যাব শুক্রবারই সৈকতকে গ্রেপ্তারের কথা জানায়।
রংপুর মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আসিফ হোসেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “গত ১৮ অক্টোবর মাঝিপাড়ায় ঘটনায় সরাসরি অংশ নেওয়ার প্রমাণ পাওয়ায় দর্শন বিভাগ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে সৈকতকে। একই ঘটনায় কারমাইকেল শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি তানজিরুল ইসলামকেও বহিষ্কার করেছে ছাত্রলীগ।”
বিজ্ঞপ্তিতে সৈকত ও তানজিরকে অব্যাহতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, যা এসেছে কারমাইকেল কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি সাইদুজ্জামান সিজার ও সাধারণ সম্পাদক জাবেদ আহমেদের নামে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘দলীয় শঙ্খলা পরিপন্থি কার্যকলাপে লিপ্ত থাকায়’ সৈকত ও তানজিরকে কলেজ শাখা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
ছাত্রলীগে রংপুর মহানগর শাখারই অধীনে কলেজ শাখা; আর কাউকে বহিষ্কারের এখতিয়ার কলেজ শাখায় না থাকলেও জেলা বা মহানগর শাখার রয়েছে।
সৈকতকে গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তারের পর শনিবার ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন করে তাকে পীরগঞ্জে হিন্দুপল্লীতে হামলার মূল ‘উসকানিদাতা’ হিসেবে তুলে ধরা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে র্যাবের মুখপাত্র কমান্ডার খন্দকার আল মঈনকে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেছিল সৈকতের সাংগঠনিক পরিচয়ের বিষয়ে।
জবাবে তিনি বলেন, “রংপুরের ছাত্রলীগের নেতা হিসেবে নিজেকে ফেইসবুকে প্রচার করতে পারেন (সৈকত), এই সংক্রান্ত কোনো তথ্য তিনি র্যাবকে জানাননি। তিনি কোনো দলের নেতা বা কর্মী, এরকম কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ তিনি দিতে পারেননি।”
সূত্রঃ বিডিনিউজ






