মোঃ জাফর ইকবাল:
রামু উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের সাধারণ জনগণ চাউলের দাম দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়াতে দিশেহারা হয়ে পড়েছে। উপজেলার ঈদগড়, গর্জনিয়া, কাউয়ার খোপ, পানির ছড়া, ধলির ছড়া, জোয়ারিয়ানালা সহ বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রামগঞ্জ এলাকায় দিন মজুররা এ প্রতিবেদককে জানান, আয়-রোজগারের দিক বিবেচনা করলে কিছুই নেই। মূলত পাহাড়ে গিয়ে কাঠ, লাকড়ি, কুলির কাজ করে বর্তমানে দৈনিক ২শ থেকে ৩শ টাকা রোজগার করা খুবই কষ্ট।
এমতাবস্থায় চালের দাম বাজারে ৩২ থেকে ৩৩ টাকা হওয়ায় বর্তমানে সংসারের খরচ যোগাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। পাশাপাশি রসুন, চিনি, ডালসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম চড়া হওয়ায় দিনে একবেলা খেলে অনেক সময় বাকী ২ বেলা না খেয়ে থাকতে হয়।
সারাদেশের তুলনায় রামু উপজেলার বিভিন্ন গ্রামগঞ্জ এলাকায় মালামালের দাম দ্বিগুণ বেশি। বাজারের নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী কোন পদক্ষেপ বা তদারকি না থাকায় ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত মুল্যে মালামাল বিক্রি করে থাকে।
এ ব্যাপারে ঈদগড়ের এক শ্রমিক নেতা জানান, গত আগষ্ট মাসে চাউলের কেজি ২১ থেকে ২২ টাকা ছিল। সেপ্টেম্বরের শুরুতেই ২৩ থেকে শুরু করে ৩৩ টাকা বিক্রি করে। সরকারিভাবে ১০ টাকা দামের চাউল চালু হলে কিছুটা আশ্রয় পাবে বলে আশা করেন। বিভিন্ন ইউনিয়নের রাইস মিলের চাউলের বাজার নিয়ন্ত্রণ করার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করার অনুরোধ জানিয়েছেন সাধারণ জনগণ। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।







