টেকসই বেড়ীবাঁধ এবং দ্বীপের চারপাশে সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলা না গেলে আগামী ৫০ বছরের মধ্যেই সমুদ্রপৃষ্ঠে বিলীন হবে দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ড কুতুবদিয়া। ‘অস্তিত্বের সংকটে কুতুবদিয়া দ্বীপ: রাষ্ট্রের করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় এমন শঙ্কার কথা জানান বক্তারা।
রোববার (১০ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সম্মিলিত নাগরিক সমাজের উদ্যোগে এই গোলটেবিল আলোচনার আয়োজন করা হয়।
বক্তারা জানান, জলবায়ু পরিবর্তন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং অব্যাহত ভাঙনে ধীরে ধীরে বিলীন হয়ে যাচ্ছে কুতুবদিয়া দ্বীপ।
শত শত পরিবার হারিয়েছে ঘরবাড়ি, কৃষিজমি, মাছের ঘের। এতে থেমে গেছে তাদের জীবিকার চাকা।
এ সময়, সরকারের জরুরি উদ্যোগ ছাড়া দ্বীপবাসীর জীবন ও জীবিকা রক্ষা সম্ভব নয় বলে উল্লেখ করেন বক্তারা।
এজন্য সুরক্ষা বাঁধ নির্মাণ, পারাপারে ফেরি চালু, প্রধান সড়ককে ৪ লেনে উন্নীতকরণ, ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল ও অনার্স – মাস্টার্সে মানে কলেজ – মাদরাসাকে উন্নীতকরণসহ উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনী তৈরি এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দেন তারা।
গোলটেবিল আলোচনা কুতুবদিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আকবর খানের পরিচালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বড়ঘোপ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আ ন ম শহীদ উদ্দিন ছোটন।
প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. কামাল হোসাইন।
এতে অংশ নেন বিশেষজ্ঞ, পরিবেশবাদী এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে অনুষ্ঠানে মুল আলোচক ছিলেন সাবেক এমপি ও জামায়াতের কেন্দ্রীয় এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আজাদ।
আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন অবঃ অতিরিক্ত সচিব মনজুরুল আনোয়ার, কোস্ট ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম, এলজিআরডি তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মনজুর সাদেক, সাবেক এটর্নি জেনারেল আলমগীর কবির, কুতুবদিয়া উপজেলা জামায়াতের আমীর আ শ ম শাহরিয়ার চৌধুরী, সাবেক চেয়ারম্যান জালাল আহমদ, দক্ষিণ ধুরুং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ, কুতুবদিয়া সমিতি চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুল হক বাচ্চু, কুতুবদিয়া সমিতি কক্সবাজারের সিনিয়র সহ সভাপতি সাংবাদিক হুমায়ুন সিকদার, কুতুবদিয়া ছাত্র পরিষদ চট্টগ্রামের আহবায়ক নওশাদ আলভি প্রমুখ।







