একজন অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সাইদ আলোর ফেরিওয়ালা হিসেবে আজীবন অজ্ঞতার অন্ধকার দূর করে মানুষের হৃদয়ে জ্বালিয়েছেন জ্ঞানের দীপশিখা।
বই পড়লে মানুষ কখনো অন্যায় কাজ করতে পারে না। মানুষ বড় হওয়ার স্বপ্ন দেখতে পারে। মূল পাঠ্যবইয়ের বাইরে নানা ধরনের বই পড়িয়ে শিশুদের মনের জগৎকে খুলে দিতে চেয়েছেন তিনি।
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মূল লক্ষ্য—‘মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়’—এই দর্শনে উদ্বুদ্ধ হয়ে পাঠবিমুখ সমাজে আলো ও আশা জাগানোর নিরন্তর প্রয়াসের এক ক্লান্তিহীন স্বপ্ন-অভিযাত্রী যোদ্ধা এই জ্ঞান তাপস।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) জেলা গণগ্রন্থাগারে আয়োজিত কক্সবাজার সাহিত্য একাডেমির ৫৪৬ তম পাক্ষিক আড্ডায় “আব্দুল্লাহ আবু সাইদ, একজন আলোর ফেরিওয়ালা” শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তাগণ এসব কথা বলেন।
একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি, লোকজ গবেষক, সাংবাদিক মুহম্মদ নুরুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন একাডেমির সাধারণ সম্পাদক, কবি, গল্পকার, কথাসাহিত্যিক সোহেল ইকবাল।
এসময় সাবেক শিক্ষা কর্মকর্তা, একাডেমির সহসভাপতি ও ছড়াকার মোঃ নাছির উদ্দিন, সাবেক জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা, কবি ও ছড়াকার আহসানুল হক, জেলা লাইব্রেরিয়ান মোঃ মাসুদ রানা, কক্সবাজার উইসডম স্কুলের অধ্যক্ষ ও কবি মাহবুবুল আলম মাহবুব, কবি, গবেষক ও কথাশিল্পী নির্বাণ পাল, কবি জোসনা ইকবাল, কবি বুলবুল এ জান্নাত বক্তব্য রাখেন।
প্রফেসর আব্দুল্লাহ আবু সাইদের বক্তৃতা, রচনা ও কর্মপ্রচেষ্টা অসংখ্য তরুণকে আলোকিত করেছে, আত্মবিশ্বাসী ও দায়িত্ববান নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে অনুপ্রাণিত করেছে বলে জানান বক্তারা।
তিনি কেবল একজন শিক্ষক নন, তাঁর জীবন ও কর্ম মানবমুক্তির এক অনন্য দৃষ্টান্ত, যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন এমন অভিমত সবার।
সাহিত্য আড্ডায় স্বরচিত ও প্রিয় কবির কবিতা পাঠে অংশ নেন, কবি মোঃ আমিরুদ্দিন, ছড়াকার জহির ইসলাম, কবি, গবেষক ও সাংবাদিক আজাদ মনসুর, কবি ও আবৃত্তিকার কল্লোল দে চৌধুরী, কবি রিয়াদ হায়দার, কবি সোহেল ইকবাল, কবি ও ছড়াকার মোঃ নাছির উদ্দিন, কবি ও ছড়াকার আহসানুল হক, কবি মোঃ মাসুদ রানা, কবি মুহম্মদ নুরুল ইসলাম, কবি জোসনা ইকবাল, কবি নির্বাণ পাল, কবি বুলবুল এ জান্নাত ও কবি মাহবুবুল আলম মাহবুব।
সাহিত্য আড্ডায় সদ্য ঘোষিত২০২৬ সালের জন্য দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘একুশে পদক’ প্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করেছে সরকার। এ বছর দেশের শিল্প, সাহিত্য, শিক্ষা ও সাংবাদিকতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ নয়জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে এ পদক দেয়া হচ্ছে।
তবে সাহিত্য ক্যাটাগরিতে বিশেষ অবদানের জন্য পুরস্কার ঘোষণা না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন একাডেমির কর্মকর্তারা।







