রামুতে ‘সংঘাত নয়, শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ি’ স্লোগানে পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপের (পিএফজি) ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিকালে রামু পাবলিক লাইব্রেরীতে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন, পিস ফ্যাসিলিটেটর ‘পিএফজি’র উপদেষ্টা ও সুশাসনের জন্য নাগরিক ‘সুজন’ রামু উপজেলা সভাপতি মাস্টার মোহাম্মদ আলম। পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ পিএফজি’ রামু উপজেলা সমন্বয়কারী অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হোসনে আরা বেগম এ সভায় সভাপতিত্ব করেন।
দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ ফিল্ড কো-অর্ডিনেটর মোহাম্মদ মাইনুল ইসলামের স্বাগত বক্তব্য ও সঞ্চালনায় অনুুষ্ঠিত সভায় বক্তৃতা করেন, ‘পিএফজি’র সদস্য রামু উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফরিদা ইয়াসমিন, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন রামু উপজেলার সভাপতি হাফেজ আহমদ, সহ-সভাপতি এম বখতেখার আহমদ, রামু কেন্দ্রীয় কালী মন্দিরের পৌরোহিত সজল হ্মামণ চৌধুরী, হাজি এম এ কালাম সরকারি কলেজের অধ্যাপক নীলোৎপল বড়ুয়া, জাতীয় পার্টি রামু উপজেলার সাধারণ সম্পাদক মুফিজুল আলম, সাংবাদিক খালেদ শহীদ, নুরুল ইসলাম সেলিম, রামু প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক সোয়েব সাঈদ, রাজনীতিক ফরিদুল আলম, সুজন শর্মা, শিক্ষক মো. জালাল উদ্দিন, ইউপি সদস্য রাবেয়া বসরী রাবু, স্বাধীনতা যুব সমিতির সভাপতি ওবাইদুর রহমান কায়সার, ইয়ুথ পিস অ্যাম্বাসেডর গ্রুপ ‘ওয়াইপিএজি’ সদস্য মোরশেদ আলম প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাস্টার মোহাম্মদ আলম বলেন, শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় সামাজিক নেতৃবৃন্দকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। সমাজে সহনশীলতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের বার্তা ছড়িয়ে দিতে হবে। স্থানীয় পর্যায়ে সহমর্মিতা ও সুশাসন নিশ্চিত করতে সামাজিক নেতৃবৃন্দকে ঐক্য হয়ে কাজ করতে হবে। যুব সমাজকে সম্প্রীতির দূত হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। সচেতনতা বৃদ্ধি, সামাজিক সংহতি, আন্তঃধর্মীয সংলাপ, গুজব রোধ এবং তথ্য যাচাইয়ের মাধ্যমে মুল ভুমিকা পালন করতে পারেন সমাজ সচেতন ব্যক্তিরা। মানবিকতা ও সচেতনতা সমাজকে পরিবর্তন করতে পারে। আমাদের অঙ্গীকার হতে হবে ‘সংঘাত নয়, শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ি’।
সভায় উপস্থিত সদস্যরা বিগত তিন মাসের কার্যক্রম পর্যালোচনা করেন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নির্ধারণ করেন। সভা শেষে সকল সদস্য ‘শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ’ গঠনে সক্রিয় ভূমিকা রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।






