বৌদ্ধ কিশোরী-তরুণীদের নিয়ে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালার বিষয়বস্তু ছিল- ঘর পালানো বা ধর্মান্তর প্রতিরোধে কর্মশালা। ৭ আগস্ট, রামু কেন্দ্রীয় সীমা মহাবিহারে উক্ত কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কক্সবাজার জেলা বৌদ্ধ সুরক্ষা পরিষদ উক্ত কর্মশালা আয়োজন করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার জেলা বৌদ্ধ সুরক্ষা পরিষদের উপদেষ্ঠা রবীন্দ্রনাথ বড়ুয়া। প্রধান অতিথি ছিলেন কক্সবাজার জেলা বৌদ্ধ সুরক্ষা পরিষদের পৃষ্ঠপোষক তিলক বড়ুয়া। আলোচক ছিলেন শিক্ষক কিশোর বড়ুয়া, সাবেক ছাত্রনেতা কানন বড়ুয়া। বিশেশ অতিথির বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার জেলা বৌদ্ধ সুরক্ষা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শুভংকর বড়ুয়া, সহ-সভাপতি মৃনাল বড়ুয়া। সূচনা বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার জেলা বৌদ্ধ সুরক্ষা পরিষদের সহ-সভাপতি সুমন বড়ুয়া।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার জেলা বৌদ্ধ সুরক্ষা পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট আশীষ বড়ুয়া। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার জেলা বৌদ্ধ সুরক্ষা পরিষদের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ববিতা বড়ুয়া, রামু উপজেলা শাখার সভাপতি রিটন বড়ুয়া, সদর শাখার সভাপতি ভুলু বড়ুয়া। অভিভাবকদের মধ্যে অনুভূতি ব্যক্ত করেন শিক্ষক হিল্লোল বড়ুয়া,শিল্পী বড়ুয়া। শিক্ষার্থীদের পক্ষে অনুভূতি প্রকাশ করেন প্রবাহিকা বড়ুয়া মেধা ও লাভলী বড়ুয়া।

কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পরিষদের সভাপতি ভদন্ত প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষু। প্রবন্ধে তিনি বলেন, নিজেদের ইচ্ছায় ঘর পালানোর এই ঘটনা যা ইদানিংকালে ধর্মান্তর নামে পরিচিত, তা কোন পরিবারে, সমাজে কিংবা তার নিজ জীবনে রীতিমত অনেক সমস্যা তৈরি করছে। কোন কোন সময় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ক্ষেত্রেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। প্রকৃতপক্ষে সবারই জানা কথা যে, কোন কোন মেয়ে (যেকোন সম্প্রদায়ের) কেন ঘর পালায়।

কিন্তু মূল সত্যটাকে পাশ কাটিয়ে আমরা একটি পক্ষ ধর্মান্তর হয়েছে বলে আত্মতুষ্টিতে ভোগছি।অপরদিকে আরেকটি পক্ষ ধর্মান্তর নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে গেল গেল বলে মাতম তুলছি। সবাই যে ভাল-মন্দ বুঝে ঘর পালাচ্ছে তা তো না। আমি মনে করি তাদের কাউন্সেলিং এর প্রয়োজন আছে।একটা মেয়ে ঘর পালালে পরবর্তীতে তার গোটা পরিবার কতটা ভুগে এবং তার ভবিষ্যত কতটা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে তা তো তাদের বুঝাতে হবে। কোন নির্দিষ্ট ধর্ম এবং জাতিগোষ্ঠী সম্পর্কে বিষোদগার না করেই এটা করা যায়। আমরা সেই কাজটাই করতে চাই।






