রামুতে বরেণ্য সংগীতশিল্পী ওস্তাদ বিভাষ সেনগুপ্ত জিগমীর জন্মদিন উদযাপন করা হয়েছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাত ৮টায় ইনস্টিটিউট অব মিউজিক মিলনায়তনে ঘরোয়া আড্ডা, গান ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে তাঁর জন্মদিন উদযাপন করা হয়। এ উপলক্ষে রামু উপজেলার সংগীতশিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় সিক্ত হন ওস্তাদ বিভাষ সেনগুপ্ত জিগমী। তিনি স্ত্রী অর্চনা দে’কে সঙ্গে নিয়ে কেক কেটে জন্মদিন উদযাপন করেন। একই অনুষ্ঠানে কেক কেটে সংগীতশিল্পী সাকী বড়ুয়ার জন্মদিনও উদযাপন করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সংগীতশিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীরা ফুল ও ক্রেস্ট উপহার দিয়ে ওস্তাদ বিভাষ সেনগুপ্ত জিগমীকে সংবর্ধিত করেন। এ সময় তাঁকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান গীতিকার ও সংগীতশিল্পী পুলক বড়ুয়া, রামু পাবলিক লাইব্রেরির সাধারণ সম্পাদক খালেদ শহীদ, ইনস্টিটিউট অব মিউজিকের নির্বাহী পরিচালক এইচ বি পান্থ, রামু সরকারি কলেজের শিক্ষক মানসী বড়ুয়া, কক্সবাজার উত্তরণ মডেল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক ও চারুঅঙ্গনের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক সংগীত বড়ুয়া, রামু মণ্ডলপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক উৎপলা বড়ুয়া, দরিয়া খেলাঘর আসরের সভাপতি মিনা মল্লিক, ইনস্টিটিউট অব মিউজিকের পরিচালক ও মেরংলোয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক জয়শ্রী বড়ুয়া, মনিরঝিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক চম্পক বড়ুয়া, সাতঘরিয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক পলী বড়ুয়া, রামু ফুটবল ট্রেনিং সেন্টারের পরিচালক সুপন বড়ুয়া শিপন, সংস্কৃতিকর্মী দীপংকর বড়ুয়া ধীমান, রামু প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সোয়েব সাঈদ এবং আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, রামু উপশাখার সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার মোহিতুল ইসলাম।
ওস্তাদ বিভাষ সেনগুপ্ত জিগমী একজন বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী সংগীতশিল্পী, নাট্যজন ও সাংস্কৃতিক সংগঠক। কক্সবাজার জেলার সাংস্কৃতিক অঙ্গনে, বিশেষ করে রামুর সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে, তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তিনি বাংলাদেশ বেতার, টেলিভিশনের তালিকাভুক্ত সংগীত শিল্পী।
১৯৬৬ সালে প্রখ্যাত সংগীতজ্ঞ ওস্তাদ প্রিয়দারঞ্জন সেনগুপ্ত ও বনবীথি সেনগুপ্তার উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় বিখ্যাত সংগীত প্রতিষ্ঠান ‘সংগীত ভবন’। বিভাষ সেনগুপ্ত জিগমী সংগীত ভবনের রামু ও কক্সবাজার শাখার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও প্রধান অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি কক্সবাজারের বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সক্রিয় ভূমিকা রেখে চলেছেন। রামুতে রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী, বাংলা নববর্ষ উদযাপনসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজনের অন্যতম সংগঠক হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন। সংগীতচর্চা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও সংগঠক হিসেবে তাঁর দীর্ঘদিনের অবদান স্থানীয় সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তাঁকে বিশেষভাবে পরিচিত করেছে।







