ঠাণ্ডা আবহাওয়া, ধুলাবালি, কুয়াশা সবকিছু মিলে শীতকালে হৃদযন্ত্রের রোগলাই ও শ্বাসকষ্টের প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। তাই দরকার বাড়তি সতর্কতা।
স্বাস্থবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটের তথ্যানুসারে, শীতের সময়ে রক্তচাপ বাড়ে এবং রক্তনালি সংকুচিত হওয়ার কারণে শরীরের রক্তের স্বাভাবিক সরবরাহ ব্যহত হয়।খবর বিডিনিউজের।
পাশাপাশি, এসময় ঘাম না হওয়ার কারণে শরীরের বাড়তি পানি জমা হয় ফুসফুসে, যা হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা কমায়।
শীতে তাই হৃদযন্ত্রের চাই একটু বাড়তি যত্ন।
ব্যায়াম: হার্টের রোগী এবং যাদের হৃদযন্ত্র তুলনামূলক দূর্বল, শীতকালে তাদের বেশি সাবধান থাকতে হবে। তাই নিয়মিত শরীরচর্চা চালিয়ে যেতে হবে। তবে আবহাওয়ার অবস্থা ভেদে শরীরচর্চার সময় পাল্টে নিতে হবে।
লবণ ও পানি কম: শীতে ঘাম না হওয়ায় শরীর থেকে বাড়তি পানি ও লবণ কোনোটাই বের হতে পারে না। তাই শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী পানি পান করতে হবে। আর লবণ খাওয়া কমাতে হবে।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: নিয়মিত রক্তচাপ মাপতে হবে এবং রক্তচাপ বেশি মনে হলে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ি ব্যবস্থা নিতে হবে।
টিকা নেওয়া: নিউমোনিয়া, ইনফ্লুয়েঞ্জা ইত্যাদি রোগবালাই এড়াতে টিকা নিতে হবে। এতে বুকে প্রদাহ হওয়ার আশঙ্কা কমবে।
অ্যান্টিবায়োটিক সেবন: রোগবালাইয়ের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ সেবনের আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। আর একটু সুস্থ বোধ হলেই অ্যান্টিবায়োটিক সেবন বন্ধ করা যাব না। রোগ সেরে গেলেও অ্যান্টিবায়োটিকের পুরো কোর্স শেষ করতে হবে।






