গিয়াস উদ্দিন ভুলু:
টেকনাফে দুই ইয়াবা পাচারকারীদের মধ্যে বন্দুক যুদ্ধ। শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী হ্নীলার চামড়া বাদশা নিহত। ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধার।
টেকনাফ থানা পুলিশ সুত্রে জানা যায়, আজ বুধবার ভোর রাত ৪ টার দিকে টেকনাফ স্থল বন্দর সংলগ্ন গহীন অরণ্যে ইয়াবা ব্যবসায়ী দুই গ্রুপের মধ্যে বন্দুক যুদ্ধের ঘটনা ঘটে।
এই খবরটি ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। এই সময় পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে ইয়াবা ব্যবসায়ীরা সু-কৌশলে পালিয়ে যায়।
এর পর ঘটনাস্থল তল্লাশী করে দেশীয় তৈরী একটি এলজি, ২ হাজার ইয়াবাসহ গুলিবিদ্ধ এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে তাৎক্ষনিক ভাবে লাশটির পরিচয় পাওয়া যায়নি।
তবে বেশ কয়েক ঘন্টা অতিবাহিত হওয়ার পর টেকনাফ সংবাদকর্মীদের সহযোগীতায় খবরটি চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে অবশেষে গুলিবিদ্ধ নিহত ব্যক্তির পরিচয় পাওয়া যায়। সে টেকনাফ হ্নীলা ইউনিয়ন মৌলভী বাজার ষ্টেশন এলাকার মৃত ওসিউর রহমানের ছেলে সুলতান আহম্মদ বাদশা প্রকাশ (চামড়া বাদশা) তার বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় মাদক মামলাসহ প্রায় ১৫টি মামলা রয়েছে বলে জানা যায়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে টেকনাফ মডেল থানার ওসি আবদুল মজিদ আমাদের রামু কে জানান, ৮ ফেব্রুয়ারী ভোর রাত ৪টার দিকে টেকনাফ স্থলবন্দর সংলগ্ন পাহাড়ী এলাকায় গোলাগুলির শব্দ শুনতে পায় স্থানীয়রা। এই খবরটি আমাদের কাছে পৌছার পর পুলিশ সদস্যদের একটি টিম ঘটনাস্থলে অভিযানে যায়। এর পর পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সু-কৌশলে পালিয়ে যায় চোরাকারবারীরা।
পরে ঘটনাস্থল তল্লাশী করে ১০ প্যাকেট ইয়াবা, দেশীয় তৈরী একটি অস্ত্র (এলজি)সহ এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি আরো জানান, লাশটি ময়না তদন্তের রির্পোট তৈরী করার জন্য কক্সবাজার মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে তাৎক্ষনিক ভাবে আমরা তার পরিচয় জানা যায়নি। অবশেষে মিডিয়াকর্মীরা সংবাদটি প্রচার করার পর তার পরিচয় পাওয়া যায়।
তথ্য অনুন্ধানে আরো জানা যায়, নিহত চামড়া বাদশা একজন চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ী তার বিরুদ্ধে টেকনাফ মডেল থানায় মাদক মামলাসহ প্রায় ১৫টি মামলা রয়েছে। ওসি আবদুল মজিদ আরো জানান, এই ঘটনার সাথে জড়িত জ্ঞ্যাত-অজ্ঞাত অপরাধীদের বিরুদ্ধে তিন মামলা রুজু করার প্রক্রিয়া চলছে।
তার পাশাপাশি সীমান্ত এলাকা টেকনাফ উপজেলার মধ্যে যে সমস্ত চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ীরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে তাদেরকে চিহ্নিত করে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে আইনের আওয়াতাই নিয়ে আসা হবে এবং ইয়াবা পাচারকারীদের বিরুদ্ধে টেকনাফ থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।







