অরুপম বড়ুয়া :
“দূর্যোগ প্রস্তুতি সারাক্ষন, আনবে টেকসই উন্নয়ন” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বান্দরবানের লামা উপজেলায় পালিত হয়েছে জাতীয় দূর্যোগ প্রস্তুতি দিবস-২০১৭।
আজ শুক্রবার (১০ মার্চ ) সকাল ১০টায় উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির আয়োজনে ও কারিতাস এনজিও সংস্থার সেপলিং প্রকল্পের সহযোগিতায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহনে একটি র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি লামা শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন শেষে লামা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় হলরুমে এক আলোচনা সভায় মিলিত হয়।
উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহী নেওয়াজ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লামা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নুরে আলম।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন লামা সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোজাম্মেল হক, রিপোটার্স ক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, লামা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর সাব অফিসার রিপন কুমার মালাকার, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা, মো: জাহাংগীর ও কারিতাস এনজিও সংস্থার সেপলিং প্রকল্পের উপজেলা ব্যবস্থাপক জুয়েল তালুকদার প্রমুখ।
সভায় স্বাগত বক্তব্যে রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশে মার্চ মাস থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের দুর্যোগ হয়ে থাকে। দুর্যোগের পূর্বে সচেতন থাকলে পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি কমানো সম্ভব।
তিনি দুর্যোগ মোকাবেলার আগাম প্রস্তুতির জন্য ১০৯০ নম্বরে মোবাইল করে এলাকাবাসীকে আবহাওয়ার পূর্বাভাস জেনে দিনের কর্মসূচি ঠিক করার পরামর্শ দেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নুরে আলম বলেন, যেকোনো সময় যেকোনো দুর্যোগ হানা দিতে পারে। দুর্যোগ মোকাবিলার প্রস্তুত থাকলে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব। আর এ প্রস্তুতির লক্ষ্যেই সরকার বিভিন্ন কৌশল ও যন্ত্রপাতির সমন্বয় করছে। এর মধ্যে তাক্ষৎণিক প্রস্তুতি, স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদী প্রস্তুতি, প্রস্তুতির পরিকল্পনা, জনবল ও প্রাতিষ্ঠানিক সমতা সবই সরকারের চিন্তায় রয়েছে। সরকার বজ্রপাতের মত দূর্যোগ মোকাবিলায় বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে সারাদেশে ১০ লাখ তালগাছ রোপনের প্রকল্প হাতে নিয়েছে।
সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহী নেওয়াজ বলেন, ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, পাহাড়ধস ও ভূমিকম্পসহ নানা দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকার নানান কর্মসূচী হাতে নিয়েছে। আমরা পরিবেশের প্রতি যত্নবান হলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ কমে যাবে। বিশেষ করে মানবসৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবেলায় আমাদের সচেতন হতে হবে।







