অনলাইন ডেস্কঃ
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, ড. কামাল হোসেনের সঙ্গে বিএনপির ঐক্য গঠনে আওয়ামী লীগের মধ্যে ভয় ঢুকেছে। আঁতে ঘা লেগেছে ক্ষমতাসীনদের। এই ঐক্যফ্রন্ট গঠনের পর থেকে সরকারকে আমরা বিচলিত দেখতে পাচ্ছি। বিভিন্ন রকমের বক্তব্য দিয়ে তারা এটাই প্রমাণ করেছে ঐক্যফ্রন্টকে ভয় পান, দেশের মানুষকে ভয় পান।

শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় মওদুদ আহমদ এসব কথা বলেন। ‘খালেদা জিয়ার মুক্তি, সংসদ ভেঙে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনই সংকট উত্তরণের একমাত্র পথ’ শীর্ষক এ সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ ইয়ুথ ফোরাম।
ব্যারিস্টার মওদুদ বলেন, এই ঐক্যফ্রন্টের মাধ্যমেই আওয়ামী লীগ সরকারের পরাজয় হবে। তবে ঐক্যফ্রন্টের সমালোচনা করে কোনো লাভ হবে না। এই ঐক্যে জনগণের মনে একটা আশা তৈরি হয়েছে। মানুষ আশা দেখছে- আগামী নির্বাচনে নিজেদের ইচ্ছামতো ভোট দিতে পারবে। তিনি বলেন, এই ঐক্যের মাধ্যমে বিএনপি যে সঠিক কাজ করেছে সরকারের সমালোচনা শুনেই সেটা বোঝা যায়। তাদের অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যে প্রমাণ হয়ে গেছে ভবিষ্যতে সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগ বিপুল ভোটে পরাজিত হবে।
মওদুদ বলেন, সিলেটে জনসভার জন্য অনুমতি দেওয়া হলো, আবার বাতিল করা হলো। এতে প্রমাণ হয়েছে সরকার জনপ্রিয়তায় কত নিচে নেমে গেছে। জনগণ তাদের সঙ্গে নেই, এটাই তারা বারবার প্রমাণ করছে। তিনি বলেন, দেশে যদি সুষ্ঠু নির্বাচন হয় বর্তমান মন্ত্রিসভার একজন মন্ত্রীও জিততে পারবেন না। এই ভয়ে সরকার সুষ্ঠু নির্বাচন করতে চায় না। সরকারের উচিত ছিল নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করা। কিন্তু উল্টো প্রমাণ করেছে তারা একক নির্বাচন করতে চায়।
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রসঙ্গে মওদুদ আহমদ বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করে সরকার আজকে আতঙ্কিত করে তুলছে। এটা সরাসরি সংবাদমাধ্যমে হস্তক্ষেপ। সম্প্রচার আইন করা হয়েছে নির্বাচনের আগে সরকারের সমালোচনা যেন না করতে পারে। গণমাধ্যমগুলোতে শুধু সরকারের উন্নয়নের গান গাইতে হবে, কোনো সমালোচনা করা যাবে না।
সাইদ আহমেদ আসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আযম খান, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ প্রমুখ।
সূত্রঃ সমকাল





