লাইফস্টাইল ডেস্কঃ
দারুচিনি গরম মসলা হিসাবেই পরিচিত। রান্নার স্বাদ বাড়াতে এর জুড়ি নেই। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রাকৃতিক এই উপাদানটি কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ডায়াটারি ফাইবার, ম্যাঙ্গানিজ, ক্যালসিয়াম, আয়রন এবং নানাবিধ ভিটামিনে ভরপুর। নিয়মিত এটি খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা এতটাই শক্তিশালী হয়ে ওঠে যে বিভিন্ন রোগ থেকে শরীর সু্স্থ থাকে।

একাধিক গবেষণা বলছে, নিয়মিত দারুচিনি খাওয়া শুরু করলে দেহের ভিতরে একদিকে যেমন উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পায় তেমনি কমতে শুরু করে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।
নিয়মিত দারুচিনি খেলে দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটে। শুধু তাই নয়, চোখের শুষ্কতা দূর করতেও দারুচিনি ভূমিকা রাখে।
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মস্তিষ্কের সেলের কর্মক্ষমতা কমতে থাকে। সেই সঙ্গে বেশ কিছু সেল শুকিয়ে যেতে শুরু করে। ফলে ডিমেনশিয়া বা অ্যালঝাইমারের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়। নিয়মিত দারুচিনি খেলে এর ভিতরে থাকা বেশ কিছু উপাদান নিউরনদের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। ফলে মস্তিষ্কের বুড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়।
দারুচিনিতে থাকা সিনেমেলডিহাইড নামক একটি প্রয়োজনীয় উপাদান দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে এতটা শক্তিশালী করে দেয় যে কোনও ধরনের জীবাণু থেকে শরীর সুরক্ষিত থাকে।
দারুচিনিতে থাকা একাধিক উপাকারী উপাদান রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখে।
দারুচিনিতে প্রয়োজনীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এটি শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদের বের করে ক্যান্সারের মতো রোগকে দূরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
একাধিক অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদানে পরিপূর্ণ দারুচিনি শরীরের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।
গবেষণায় দেখা গেছে, দারুচিনি শরীরে প্রবেশ করার পর বিশেষ কিছু এনজাইমের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়, যেগুলি রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়তে দেয় না। সেই সঙ্গে ইনসুলিনের উৎপাদনও বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি একেবারে কমে যায়।
সূত্র : বোল্ড স্কাই





