লাইফস্টাইল ডেস্কঃ
মদ্যপানের কারণে দাঁত ক্ষয়ে যাওয়া, মুখের ভেতর শুকিয়ে যাওয়া ভাব হওয়ার পাশাপাশি রয়েছে আরও ক্ষতিকর দিক।

মদ্যপান সার্বিক স্বাস্থ্যের জন্য কখনই উপকারী নয়। মস্তিষ্ক থেকে শুরু করে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ, যকৃত সবকিছুর জন্যই ক্ষতিকর অ্যালকোহল।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি)’র দেওয়া তথ্য মতে, নারীরা দিনে একটি আর পুরুষরা দিনে দুটির বেশি ‘ড্রিংক’ পান করলেই তাদেরকে মধ্যম মাত্রার মদ্যপায়ী ধরা হয়।
মদ্যপানের স্বাস্থ্যগতো জটিলতা সম্পর্কে সবাই জানেন, তবে এটি দাঁতের কী ক্ষতি করে তা জানানো হল স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে।
দাঁত নষ্ট হওয়া:
যারা নিয়মিত মদ্যপান করেন তাদের দাঁতে জমা হওয়া ‘প্লাক’য়ের মাত্রা বেশি হয়। ফলে দাঁত নষ্ট হওয়া এবং ‘প্রিডেন্টাল ডিজিজ’ হওয়ার ঝুঁকিও তুলনামূলক বেশি।
অ্যালকোহল অনেক সময় সোডা এবং জুসের সঙ্গে মিশিয়ে পরিবেশন করা হয়, যেগুলো চিনির মাত্রা থাকে বেশি। ফলে দাঁত নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা আরও বাড়ে।
মুখগহ্বর শুকিয়ে যাওয়া:
অতিরিক্ত মদ্যপান করলে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয়। ফলে, মুখে লালারস তৈরি হয় কম এবং মুখ শুষ্ক হয়ে যায়। লালারস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। কারণ এটি মুখগহ্বরের বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া ধুয়ে পরিষ্কার করে এবং দাঁত থেকে ‘প্লাক’ পরিষ্কার করে।
দাগ:
মদের রং আসে ‘ক্রোমোজেন্স’ নামক উপাদান থেকে। অ্যালকোহলের অ্যাসিড থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া দাঁতের ‘এনামেল’য়ের আস্তরে এই উপাদান আটকে থাকে। পরে সেখানে দাগ পড়ে যায়। সব ধরনের মদই কমবেশি অম্লীয় এবং দাঁতে দাগ সৃষ্টি করে।
করণীয়
মদ্যপানের পর দাঁত ব্রাশ করাকে অনেকেই প্রয়োজন মনে করেন না। মদ্যপানের পর দাঁত ব্রাশ না করলে এতে থাকা চিনি দাঁতে জমে থাকে যা দাঁতের স্বাস্থ্যের জন্য কখনই ভালো নয়।
মদ্যপানের পর প্রচুর পরিমাণে পানি করা উচিত যাতে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা না দেয়।
যতই দাঁতের যত্ন নিন না কেনো মদ্যপান নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারলে সবকিছুই বৃথা।





