তরঙ্গিনী:
যেদিন কেউ সমুদ্রে গিয়েছিলো অনেকদিন আগে- একটা ঢেউয়ের সাথে লাফিয়ে এসে সমুদ্রটা কেমন করে যেনো তার বুকের ভিতর ঢুকে গিয়েছিলো। সেই সমুদ্র চিরদিন কান্না হয়ে উথালপাথাল- আর ছাড়ে না। যখন একটা শঙ্খও ছিলো না, পিতলের গ্লাস কানে চেপে ধরে শুনতো শোঁ শোঁ সমুদ্রের স্বর, কানের ভিতর। এখন বুকের ভিতর সমুদ্র নিয়ে- গলায় আটকে থাকা ঢেউ নিয়ে- কেমন করে কবিতা লিখে, মনে মনে গান করে, নারীসঙ্গম করে- তা তার ঈশ্বরও জানে না।
কেউ মানে আমি। আমার পায়ের পাতা থেকে চুল সব প্রবাল হয়ে গেলে দুরন্ত সব শৈবাল এসে ঢেকে দেয় আমার সকল ইন্দ্রিয়। তারপর আমার আশিশ্ন যৌবন একটা ঝিনুকে পরিণত হলে আমার চোখের ভিতর সূর্য জ্বলে উঠে। আর বুকের ভিতর সমুদ্রটি হয়ে উঠে একটি তরঙ্গিনী।
******************************************************************************************************
নির্ঝর নৈঃশব্দ্যঃ কবি ও চিত্র শিল্পী।






